সিলেট

সিলেটের জকিগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় আল খায়ের ফাউন্ডেশনের কোরবানির গোশত বিতরন

আন্তর্জাতিক চ্যারিটি সংস্থা আল খায়ের ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ও জামেয়াতুল খাইর আল ইসলামিয়া সিলেটের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় গত ২ আগষ্ট, শনিবার দুপুরে জকিগঞ্জের মুনশীবাজার মাদরাসা প্রাঙ্গণে ৯০০ হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে কোরবানির গোশত বিতরন করা হয়।

বৃটেনের জনপ্রিয় ইসলামি মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও জামেয়াতুল খাইর’ আল ইসলামিয়া সিলেটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাওলানা মুফতি আবদুল মুনতাকিমের তত্ত্বাবধানে ও হাফিজ মাওলানা আবদুল মুকতাদিরের সুষ্ঠু পরিচালনায় সুসম্পন্ন এ কোরবানি প্রজেক্টের মাধ্যমে জকিগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চলের হতদরিদ্র ও ঈদের প্রকৃত আনন্দ থেকে বঞ্চিত কয়েক শত পরিবারের মাঝে কোরবানির গোশত বিতরন করা হয়। এর দ্বারা হাজারো মানুষ সরাসরি ও পরোক্ষভাবে উপকৃত হয়েছেন।

বিতরন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুনশীবাজার মাদরাসার শিক্ষাসচিব হাফিজ মাওলানা ফখরুযযামান, মাওলানা ইউনুস খাদিমানী, এলাকার প্রবীণ মুরব্বী আব্দুল মালিক (মলিক মিয়া) ৮নং কসকনকপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড মেম্বার ইসলাম উদ্দীন, ৭নং ওয়ার্ড মেম্বার নূরুল ইসলাম, ৬নং ওয়ার্ড মেম্বার রফিক আহমদ প্রমূখ।

কোরবানির গোশত গ্রহণ করে প্রতিবন্ধি হানই মিয়া বলেন, আমরা এক যুগ থেকে মুফতি আবদুল মুনতাকিমের মাধ্যমে আল খায়ের ফাউন্ডেশনের পক্ষথেকে বিভিন্নভাবে সহযোগীতা পাচ্ছি। কোরবানির সময় গোশত, ঈদুল ফিতরের সময় খাদ্য সামগ্রী, বন্যার সময় ত্রান সহ তিনি জকিগঞ্জের গরীব-দুঃখী মানুষের মাঝে সর্বদা সহযোগীতার হাত সম্প্রসারণ করেই যাচ্ছেন। আমরা অন্তরের গহীন থেকে সর্বদা মুফতি আবদুল মুনতাকিম সহ সকল দাতাদের উত্তরোত্তর মঙ্গল কামনা করি এবং ভবিষ্যতেও যেনো এভাবে তিনি গরীব-দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আমাদের অভাব অনটন লাঘব করার চেষ্টা করেন, সে প্রত্যাশা করি।

কোরবানির গোশত বন্টন প্রোগ্রামে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা রিয়াজুদ্দীন, মাওলানা মুসলেহ উদ্দীন, মাওলানা তোফায়েল আহমদ, মাওলানা কবির আহমদ, হাফিজ মাওলানা জাবির আহমদ, মাওলানা জামিল আহমদ, হাফিজ জুবায়ের আহমদ প্রমূখ।

উল্লেখ্য: ঈদুল আযহার প্রথম দিন আইয়র গ্রামে (শাইখুল হাদীস মাওলানা আব্দুল মুসাব্বিরের বাড়িতে) এলাকার কয়েকটি গ্রামের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে গোশত বিতরন করা হয়েছে।

অনেক বছর যাবত মুফতী আবদুল মুনতাকিমের আন্তরিক চেষ্টায় ও আলখায়ের ফাউন্ডেশন ইউকের অর্থায়নে কোরবানীর গোশত বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকায় এলাকার সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে ঈদের অনাবিল আনন্দ সর্বত্র লক্ষ্য করা যায়। এ ধরনের সুন্দর উদ্যোগ সংগত কারণেই সর্বমহলে প্রশংসিত হয়ে আসছে। উলামায়ে কেরাম, দ্বীনদার মহল এবং সর্বস্তরের সামাজিক নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে দেশের মাটি ও মানুষের কল্যাণে বহুমুখী শিক্ষা ও সেবা মূলক কাজ অনেক প্রতিকূলতা ডিঙ্গিয়ে অব্যাহত রাখার জন্য সবাই তাদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

Related Articles

Back to top button