যুক্তরাজ্য

ফেইস টু ফেইস রোগি দেখতে ডাক্তারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে এনএইচএস

মো: রেজাউল করিম মৃধা ॥ করোনাভাইরাস মহামারির কারনে দীর্ঘ দিন ধরে রোগীদেরকে তার নিজস্ব ডাক্তার বা জিপি ফোনে, ভিডিও কলে অথবা ডিজিটাল পদ্ধতিতে সেবা দিয়ে আসছে। কেননা হাসপাতালগুলিতে করোনা রোগীদের প্রাধান্য ছিলো। অন্যান্য রোগীরা যাতে হাসপাতালে কিম্বা সার্জারিতে না আসে সে জন্য নিরোৎসাহিত করা হয়েছিলো। তাতে অনেকে করোনা থেকে রেহাই পেলেও অনেকে অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। কেননা করোনা ছাড়া অন্য রোগীরা ছিলো উপেক্ষিত।

এনএইচএস এর মেডিক্যাল অফিসার নিক্কি কানান মনে করে এখন সময় এসেছে জিপি তাদের সার্জারিতে ফেইস টু ফেইস রোগী দেখার। যত দ্রুত সম্ভব সরাসরি রোগী দেখা শুরু করতে হবে।

দি রয়েল কলেজ অফ জিপি বলেন, “জিপি ফেইস টু ফেইস রোগী না দেখলে তার ডিউটি ফুলফিল হয়না,”। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া রোগীকে সার্জারি বা হাসপাতালে রোগী দেখে পরিপূর্ন সেবা দিতে হবে”।

আর সি জি ডি প্রফেসর মার্টিন মার্সেল বলেন, “ইস্ট লন্ডনের শতকরা ৪০ রোগী এপোয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগেই দুশ্চিন্তায় পরে যান। ডাক্তারের এপোয়েন্টমেন্ট পাবো কি পাবোনা ।তিনি বলেন, রোগীরা ডাক্তার দেখালে বা ডাক্তারের সাথে সরাসরি কথা বললে অনেকটা স্বস্থি বোধ করে। জিপির দ্বায়িত্বই হচ্ছে সরাসরি রোগী দেখা কিন্তু এতদিন করোনাভাইরাস মহামারির কারনে সেটা সম্ভব না হলেও এখন সরাসরি রোগী দেখতে হবে জিপিদের”।

দি ব্রিটিশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন এক জরিপে বলেছে, ৮০০০ ডাক্তার ও মেডিক্যাল স্টুডেন্টের শতকরা ৮৬ পারসেন্ট বিশ্বাস করেন এই শীতে আবার দ্বিতীয়বার করোনাভাইরাস আসছে। এ কারনে জিপিরা সরাসরি রোগী দেখার সাথে একমত হতে পারছেন না।

বিএমএ কাউন্সিলের চেয়ার ডাক্তার চান্দ নাগপাউল বলেন,”গত এপ্রিল মাস থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত করোনাভাইরসের রোগী বেশী হওয়ায় হাসপাতালগুলিতে অন্যান্য রোগী না দেখার সিদ্ধান্ত নেয় এনএইচএস সেই সাথে সার্জারিতেও সরাসরি রোগী না আসার ঘোষনা দেওয়া হয়। এসময় রোগীকে ফোনে, ভিডিও কলে কিম্বা ডিজিটাল পদ্ধতিতে রোগীর সেবা দেওয়া হলেও সেটা আসলে পরিপূর্ন সেবা বলা যায় না। এখন সময় এসেছে জিপি তার রোগী হাসপাতালে এবং নিজস্ব সার্জারিতে ফেইচ টু ফেইচ রোগী দেখার,”।

Related Articles

Back to top button