প্রতারণার মামলায় কনস্টেবল কামরুল ৫ দিনের রিমান্ডে

ব্রিট বাংলা ডেস্ক :: নিজেকে পুলিশের অ্যাডিশনাল এসপি হিসেবে পরিচয় দিয়ে পুলিশে চাকরি দেয়ার প্রলোভনসহ নানা প্রলোভনে প্রতারণার মামলায় কনস্টেবল (কন. নং-৮৭৫) কামরুল হাসানের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়া আসামির জামিন নাকচ করে রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

বিভিন্ন লোকজনের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে গত ২৮ ডিসেম্বর পিবিআইর এসআই মো. মমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় কনস্টেবলের স্ত্রী লুৎফা আক্তারকেও আসামি করা হয়েছে। শ্রমিক বিক্ষোভের কারণে কারাগার থেকে লুৎফাকে আদালতে আনতে না পারায় এদিন (বৃহস্পতিবার) তার রিমান্ড শুনানি হয়নি। লুৎফার রিমান্ড শুনানির জন্য আগামী ১৩ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

এদিকে মামলা দায়েরের পর ওই দিনই আসামিকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম। তবে সেদিন মামলার কেস ডকেট (সিডি) না থাকায় রিমান্ড শুনানির জন্য এদিন (বৃহস্পতিবার) ধার্য করেন আদালত।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, কনস্টেবল কামরুল হাসান নিজেকে পুলিশের অ্যাডিশনাল এসপি হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন লোকজনের মাঝে বিশ্বাস স্থাপন করতেন। তিনি পুলিশের সরাসরি এসআই ও সিভিল স্টাফ নিয়োগের ব্যবস্থা করে দিতে পারবেন তার এমন কথায় বিশ্বাস করে ঢাকা এসবির এএসআই শাহ স্বপন একজন সিভিল স্টাফ ও দুজন এসআই পদে চাকরি দেয়ার জন্য প্রস্তাব দেয়। এতে আসামি তার কাছ থেকে কাগজপত্র চায়।

পরে জাতিসংঘ মিশনে পাঠানোর ব্যবস্থা করে দেবে বলে আসামিকে তাকে আশ্বাস দেয়। আসামির কথায় বিশ্বাস করে কয়েক দফায় সে আসামিকে ২৭ লাখ টাকা দেয়। পরে জানতে পারে আসামি তার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। এমতাবস্থায় টাকা ফেরত চাইলে আসামি তাকে ৭ লাখ টাকার চেক প্রদান করে।

অপরদিকে তদন্তকালে প্রায় ৩০ জন ভুক্তভোগী আসামির দ্বারা প্রতারণার শিকার বলে অভিযোগ দিয়েছে। প্রথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে প্রায় ২ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে স্বীকার করেছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামির রিমান্ড প্রয়োজন।

Leave a Reply

More News from জাতীয়

More News

Developed by: TechLoge

x