সিলেট

সিলেট যুবলীগে পূর্ণাঙ্গ কমিটির অপেক্ষা

সিলেট অফিস :: প্রায় দেড় দশক পর গত জুলাই মাসে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষ ভোটে উভয় শাখায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর পেরিয়ে গেছে দুই মাসেরও বেশি সময়। কিন্তু এখনও কমিটি পূর্ণাঙ্গ হয়নি সিলেট যুবলীগে। পদপ্রত্যাশী নেতাকর্মীরা কমিটি পূর্ণাঙ্গ হওয়ার অপেক্ষায় আছেন। আর দায়িত্বশীলরা বলছেন, কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে তারা কাজ করছেন।

যুবলীগ সূত্রে জানা গেছে, সিলেট মহানগর যুবলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় গত ২৭ জুলাই। ২৯ জুলাই হয় জেলা যুবলীগের সম্মেলন। এর আগে ২০০৩ সালে জেলা যুবলীগে এবং ২০০৪ সালে মহানগর যুবলীগে সম্মেলন হয়েছিল। তবে ওই সময় নেতৃত্ব নির্ধারণে ভোট হয়নি। সিলেট যুবলীগে ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচিত হয় ১৯৯২ সালে। এরপর এবার, গত জুলাই মাসে জেলা ও মহানগর যুবলীগের সম্মেলনে কাউন্সিলররা ভোট দেওয়ার সুযোগ পান।

যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর উপস্থিতিতে সম্মেলনে জেলা যুবলীগে শামীম আহমদ (ভিপি শামীম) সভাপতি ও শামীম আহমদ (সীমান্তিক শামীম) সাধারণ সম্পাদক এবং মহানগর যুবলীগে আলম খান মুক্তি সভাপতি ও মুশফিক জায়গীরদার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এ চার নেতার তিনজনই আগে থেকে শীর্ষ নেতৃত্বে ছিলেন। জেলা যুবলীগে ভিপি শামীম আগের কমিটিরও সভাপতি ছিলেন। মহানগর যুবলীগে সর্বশেষ কমিটির আহবায়ক ছিলেন আলম খান মুক্তি, যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন মুশফিক জায়গীরদার। শুধুমাত্র জেলা যুবলীগের আগের কমিটির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মহসিন কামরান এবার প্রার্থী ছিলেন না। এ পদে নির্বাচিত হয়েছেন শামীম (সীমান্তিক)।

জেলা ও মহানগর সম্মেলনের পর দুই মাস পেরিয়ে গেছে। কিন্তু এখনও পূর্ণাঙ্গ কমিটির দেখা পাননি নেতাকর্মীরা। ফলে তাদের অপেক্ষা বাড়ছে। অন্যদিকে পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে পদ পেতে আগ্রহীরা নির্বাচিত নেতাদের কাছে ধরনা দিচ্ছেন বলে জানা গেছে। তবে দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, খুব সতর্কভাবে কমিটি পূর্ণাঙ্গ হবে যাতে কোনো অনুপ্রবেশকারী ঢুকতে না পারে।

এ বিষয়ে সিলেট মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি সিলেটভিউকে বলেন, ‘কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে আমরা কাজ করছি। কমিটিতে আসতে যারা আগ্রহী, তাদের সাথে কথা বলা হবে। কমিটি তৈরি করে কেন্দ্রে পাঠানো হবে। কেন্দ্র কমিটির অনুমোদন দেবে।’

সিলেট জেলা যুবলীগের সভাপতি শামীম আহমদ সিলেটভিউকে বলেন, ‘শিগগিরই কমিটি পূর্ণাঙ্গ হবে। যারা ত্যাগী, সৎ, সক্রিয় তাদেরকে কমিটিতে স্থান দেওয়া হবে। অনুপ্রবেশকারী যাতে না ঢুকতে পারে, সেজন্য পদ পেতে আগ্রহীদের জন্য বিশেষ ফরম করেছি আমরা।’

তিনি বলেন, ‘এই বিশেষ ফরমে পদ পেতে আগ্রহীদের পরিবারের কোনো সদস্য রাজনীতিতে যুক্ত কিনা, যুক্ত থাকলে কোন দলের সাথে জড়িত কিংবা আগে রাজনীতি করে থাকলে কোন দলের সাথে ছিলেন, এসব তথ্য জানতে চাওয়া হবে। এছাড়া এই ফরম পূরণ করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও স্থানীয় মসজিদের ইমামকে দিয়ে সত্যায়িত করে নিয়ে আসতে হবে। এর মাধ্যমে অনুপ্রবেশকারীদের ঠেকানো যাবে বলে আমরা মনে করছি।’

Related Articles

Back to top button