ইংল্যান্ডের ৫টি এলাকায় ভোটের আগে আইডি দেখাতে হবে : Five areas in England to pilot voter ID checks

ব্রিটবাংলা রিপোর্ট : আগামি বছর থেকে ইংল্যান্ডের পাঁচটি এলাকার ভোটারদের স্থানীয় নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের আগে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে আইডি দেখাতে হবে বা নাম পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে। এই পাঁচটি এলাকা হল ওকিং, গৌসপর্ট, ব্রোমলি, ওয়াটফোর্ড এবং স্লাউ। একটি পাইলট প্রজেক্ট হিসাবে এই পাঁচটি বারায় নতুন এই নিয়ম চালুর ঘোষনা দিয়েছে ইলেক্টরাল কমিশন। কমিশন ৩ বছর আগে ভোটে কারচুপি প্রতিরোধে এ ধরনের নিয়ম চালু হবে বলে ঘোষণা দিয়েছিল।

ইংল্যান্ডে এক জনের নাম নিয়ে অন্যজনে ভোটাধিকার প্রয়োগের ঘটনা আছে। তবে তা একেবারেই সীমিত। কিন্ত চিন্তার বিষয় হল যতো দিন যাচ্ছে ততো তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০১৪ সালে ২১ জন ভোটার অন্যের নাম ব্যবহার করে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। আর ২০১৬ সালে এই সংখ্যা বেড়ে ৪৪ এ গেছে।

নতুন এই পাইলট প্রজেক্টকে স্বাগত জানিয়েছেন সরকারের সংশ্লিষ্ট মিনিস্টার ক্রিস স্কিডমোর। তিনি বলেন, বর্তমানে একজনের পরিচয়পত্র দিয়ে অন্য কেউ লাইব্রেরি থেকে একটি বইও নিতে পারে না। একটি পার্সেলও আইডি চেক না করে দেওয়া হয় না। এই অবস্থায় ভোটের সময় একজনের নাম ব্যবহার করে আরেকজন ভোট দেবে সেটা মেনে নেওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তবে নতুন এই সিস্টেমের সমালোচনা করেছেন লিবডেমের মুখপাত্র টম ব্রেক। তিনি বলেন, এই সিস্টেমের মাধ্যমে ব্রিটিশ গণতন্ত্রকে খাটো করা হচ্ছ। বিশ্বের অন্যান্য দেশেও ভোটাধিকার প্রয়োগের আগে আইডি দেখানোর আইন আছে। কিন্ত তাতে ভোট কারচুপি যে বন্ধ হচ্ছে না সেই প্রমাণও ওই দেশগুলোতে আছে। তিনি বলেন, ইংল্যান্ডের নতুন প্রজন্ম এমনিতেই ভোট বিমুখ। নতুন এই সিস্টেমের ফলে নতুন প্রজন্ম ভোটের প্রতি আরো বেশি নিরোৎসাহি হবে বলে শংঙ্কা প্রকাশ করেন লিবডেমের এই মুখপাত্র।

উল্লেখে গত কয়েক বছর ধরে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডে এই নিয়ম চালু করা হয়েছে।

Five areas in England to pilot voter ID checks

Five areas in England to pilot voter ID checks
Voters in five areas in England will be asked to take identification to polling stations at local elections next year as part of a pilot scheme.
People in Woking, Gosport, Bromley, Watford and Slough will be asked to take different forms of ID with them to see which works best.
The Electoral Commission recommended three years ago that voters be asked to prove their identity.
Minister Chris Skidmore said the aim was to ensure the system was “secure”.
Reports of “personation” in polling stations – votes cast in someone else’s name – increased from 21 in 2014 to 44 in 2016.
Mr Skidmore said the current situation meant it was harder to take out a library book or collect a parcel than it was to vote in someone else’s name.
For some years, voters in Northern Ireland have had to prove their identity at polling stations.
But Tom Brake, for the Liberal Democrats, described the latest proposals as “a completely unnecessary move that risks undermining our democracy by preventing millions of people from voting”.
“Evidence from around the world tells us forcing voters to bring ID won’t stop determined fraudsters, but is likely to led to even lower turnouts amongst young people and minority groups.”

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Advertisement