ইংল্যান্ডে কট্টরপন্থি ঈমামের জেল : Hate preacher jailed for telling children to join IS

ব্রিটবাংলা রিপোর্ট : ইসলামিক স্টেইট সংক্ষেপে আইএসের প্রতি শিশুদের আকৃষ্ট হতে উৎসাহ প্রদান করে বক্তব্য দিয়ে জেলদন্ডে দন্ডিত হয়েছেন এক বৃটিশ ঈমাম। স্কুলের চাইতে শহীদের রক্তের মর্যাদা অনেক বেশি বলে বিভিন্ন সময় শিশুদের বুঝাতেন তিনি। দন্ডপ্রাপ্ত ঈমামের নাম কামরান সাবির হোসাইন। বয়স ৪০ বছর। তিনি স্টক অন ট্রেন্টের বাসিন্দা। আইএসের কালো পতাকা সামনে রেখে তিনি তিন বছর বয়সী বা তারো বেশি বয়সের শিশুদের সামনে বক্তব্য দিতেন বলে আদালত জানিয়েছে। ওল্ডবেইলী কোর্ট জানিয়েছে, দন্ডিত ঈমাম সাবির হোসাইন স্টক অন ট্রেন্টের টানস্টল হাইস্ট্রীটে ফৈজাল এলাহি মসজিদ পরিচালনা করতেন। এই মসজিদের পাশেই একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন তিনি। মসজিদের সাবেক ঈমামের মৃত্যুর পর মসজিদের পুরো কর্তৃত্ব দখলে নিয়ে আইএসের প্রতি আকৃষ্ট হতে বিভিন্নভাবে যুক্তিউপস্থাপন করে বক্তব্য দিয়ে আসছিলেন।

আদালত সূত্রে আরো জানা গেছে, ঈমাম কামরান সাবির হোসাইন ২০১৬ সালের মার্চে তার ফেইসবুক পেইজে একটি স্ট্যাটাসে দেন। তাতে তিনি খলিফা অর্থাৎ আইএস দরোজা দরোজায় নক করছে বলে মন্তব্য করেন। এরপর জুন মাসে একজন আন্ডার কাভার অফিসার ‘কাশিম’ নাম ধারণ করে তার সব বক্তব্য রেকর্ড করতে শুরু করে।

মুসলিমদের আক্রমণ করার জন্যে সরকার অর্থ দিয়ে ইংলিশ ডিফেন্সলীড এবং বৃটিশ ফার্স্ট চালাচ্ছে বলেও ঈমাম সাবির হোসাইন মন্তব্য করেন বলে আদালতের শুনানিতে উল্লেক করা হয়েছে। আন্ডার কাভার অফিসার প্রায় ৪ মাসের বেশি সময় তার বক্তব্য রেকর্ড করেন। এরপর চলতি বছরের ফেবরোয়ারীতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আদালতে ৮ টি অভিযোগে ঈমাম কামরান সাবির হোসাইনকে দোষি সাব্যস্ত করা হয়। তাকে ৬ বছর ৬ মাসের জেল দিয়েছে আদালত।

  Hate preacher jailed for telling children to join IS

An imam has been jailed for six and a half years after telling children that martyrdom was better than school, in a series of sermons encouraging his congregation to join Islamic State.

Kamran Sabir Hussain, 40, from Stoke-on-Trent, delivered his lecturers from a lectern in front of a black IS flag, to a congregation that included children as young as three.

The content of the speeches was recorded by an undercover officer, who was sent into the mosque to document the imam’s sermons, in the first such case to come before the courts.

Hussain stirred up his congregation by telling them that the right-wing English Defence League and Britain First were funded by the Government to attack Muslims.

“The kuffar (unbeliever) will attack you and kill you,” he told them.

Hussain ran the Faizal Ellahi mosque, which was registered as a charity, behind a former shop front on the High Street in Tunstall, Stoke-on-Trent.

He lived in a flat close to the mosque, where police found an upstairs fitness room with an “inspirational” poster on the wall showing an assault rifle and a hunting knife.

Hussain took over the mosque when the previous imam retired, delivering the Friday sermon and offering advice to married couples and families.

The undercover officer used the name “Qassim” and began attending the mosque in June 2016, recording sermons given by Hussain over a period of four months.

In March 2016, the imam posted a message on social media in which he said that the “Khilafah” – a reference to IS – was “knocking on your door and the fulfilment of Allah’s command is near and if you don’t like it and are enraged by it, then our message to you is simple: ‘Die in your rage.'”

On 24 June, nine days after the start of Ramadan, Hussain delivered a 23-minute sermon in front of around 10 people, in which he spoke of a “small fledgling state who is standing in the face of a pompous and arrogant army” – said to be a reference to IS – and asked his audience to pray for them to be victorious and for their oppressors to be annihilated.

Hussain was found guilty after an earlier trial of two charges of encouraging support for IS and six charges of encouraging others to commit acts of terrorism.

When he was arrested on 14 February this year, he refused to answer questions but gave police a written statement saying the ability to discuss “difficult concepts in a challenging world” was an essential part of the exercise of religion and freedom of speech.

In court he claimed he was only trying to “emulate the Prophet” with his “urgent” delivery and was surprised to hear the tone of his sermons.

Mari Reid, from the Crown Prosecution Service,said: “Kamran Hussain was in a position of trust and authority which he abused by encouraging support for Daesh and glorifying violent extremism.

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Advertisement