ইউরোস্টারে কন্যার নাম নিয়ে বিভ্রত টিউলিপ : MP stopped at border over daughter’s name

ব্রিটবাংলা রিপোর্ট : পাসপোর্টে শিশুদের নামের সঙ্গে পিতা-মাতার নাম সংযুক্ত থাকা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দীক। সামার হলিডে শেষে দেশে ফেরার সময় নিজের শিশু কন্যার পাসপোর্টের নাম নিয়ে বিপাকে পড়েছিলেন তিনি। ১৮ মাস বয়সী শিশু কন্যার পাসপোর্টে মা-মেয়ের নামে গড়মিল থাকায় ইউকের বোর্ডার কন্ট্রোল অফিসাররা তাকে সন্দেহের চোখে দেখে। পরবর্তীতে তার স্বামী আসার পর ইউকে বোর্ডার অফিসারদের সন্দেহের অবসান ঘটে।
টিউলিপ জানান, স্বামী ক্রিস প্যারসি এবং ১৮ মাসে কন্যা আজালিয়াকে নিয়ে সামার হলিডে শেষে ফ্রান্স থেকে দেশে ফিরছিলেন। পুশ চেয়ারে কন্যাকে নিয়ে তিনি ইউরোস্টারের ফাস্ট-ট্র্যাকে গিয়েছিলেন। স্বামী প্যারসি তখন একটু দূরে ছিলেন। ফ্রান্সের বোর্ডার কন্ট্রোল পেরিয়ে ট্রেইনে উঠার সময় ইউকে বোর্ডার কন্ট্রোল অফিসার তাকে আটকে দেয়। পাসপোর্টে মেয়ের নামের সঙ্গে মায়ের নাম এবং মা-মেয়ের চেহারার অমিল অফিসারদের সন্দেহ বাড়িয়ে দেয়। টিউলিপ জানান, তার চেহারার সঙ্গে মেয়ে আজালিয়ার চেহারার মিল খুব কম। বরং বাপের চেহারার সঙ্গে মিল বেশি। এ কারণে ইউকে বোর্ডার কন্ট্রোল অফিসার একবার মায়ে মুখে দিকে আরেকবার মেয়ের মুখে দিখে দীর্ঘক্ষণ তাকাচ্ছিল। এক পর্যায়ে নাকি প্রশ্নও করে যে, এই মেয়ে কে?
এই প্রশ্ন শুনে টিউলিপ অবাক হয়ে যান বলেও জানান। নিজের মেয়ে বলার পর তাকে পাল্টা প্রশ্ন শুনতে হয়েছে, কেনো পাসপোর্টে মা-মেয়ের নামের মিল নেই। পরবর্তীতে তাকে ম্যারেজ এবং বার্থ সার্টিফিকেট দেখানোর জন্যেও বলা হয়। এক পর্যায়ে মেয়েকে অফিসারদের কাছে রেখে স্বামীকে খুঁজে নিয়ে আসার জন্যেও পরামর্শ দেন অফিসাররা। যদিও তখন মেয়ে আজালিয়া কাঁদছিল বলে গার্ডিয়ানকে জানান টিউলিপ। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তার স্বামী আসার পর সমস্যার সমাধান হয়।
এই ঘটনার পর পাসপোর্টে শিশুদের নামের সঙ্গে পিতা-মাতার নাম রাখার পক্ষে কথা বলেন হ্যামস্টেড এন্ড কিলবার্নের লেবার দলীয় এমপি টিউলিপ সিদ্দিক। এ বিষয়ে হোম অফিসের কাছে একটি চিঠিতে ভ্রমণের সময় বিভ্রান্তি দূর করার জন্যে পাসপোর্টে শিশুদের নামের সঙ্গে পিতা-মাতা, উভয়ের নাম সংযুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন টিউলিপ। তিনি জানান, একই কারণে গত ৫ বছরে ইউকেতে প্রায় ৬শ হাজার মহিলাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইউকে বোর্ডার কন্ট্রোল। তাদেরকে ম্যারেজ অথবা বার্থ সাটিফিকেট দেখিয়ে প্রমাণ করতে হয়েছে যে, সঙ্গে থাকা শিশু তাদের। যদিও হোম অফিস বলেছে, শিশু ছিনতাই, শিশুদের যৌনহয়রানীসহ নানান কারণে ভ্রমণের সময় পরিবারের সঙ্গে শিশু থাকলে অফিসাররা বাড়তি নজরদারী করেন।

 

MP stopped at border over daughter’s name

A Labour MP has called for a change in passport regulations after she was stopped with her daughter at UK border control until her husband joined them, because she did not have the same surname in her passport as her child.

Tulip Siddiq, the MP for Hampstead and Kilburn, said regulations that can lead to border agents detaining mothers who do not share their child’s surname, in order to guard against child trafficking, were distressing and time-consuming.

Siddiq found that an estimated 600,000 women over the last five years had been asked to prove they were related to their children when taking their families through UK border control, leaving many stranded for hours if they did not have marriage or birth certificates or were travelling without their partners.

Siddiq has written to the Home Office to ask for children’s passports to be amended to contain both their parents’ names to avoid confusion at airports and borders.

“Things are changing and the law needs to catch up,” she said. “I want to find a way to change this. I don’t know why I should be penalised for not changing my name. I got married aged 30, I lived my life, I had a reputation under my maiden name.

Siddiq was returning from a family holiday in France with her husband, Chris Percy, and their 18-month-old daughter, Azalea, when she was separated from Percy and permitted to go through the fast-track queue to board the Eurostar with her pushchair.

Though she exited French border control without any issue, Siddiq was stopped at the UK border immediately before boarding the train.

“My daughter looks quite different to me, she looks like her dad,” she said. “At the UK border the man looked at my passport for a long time and my daughter’s passport and he said: ‘Who is this girl?’

“I was really surprised by the question, and he repeated it, and I said: ‘This is my daughter,’ and he asked why we don’t have the same name. He also asked for my marriage certificate and my birth certificate.

“There was a lot of discussion, and other asks for documents. I went back and the whole thing was very tense, my daughter was crying and saying ‘mama, mama’ but that didn’t seem to be what would convince him.”

The Home Office said: “We have a duty to safeguard children and to prevent people trafficking, child sexual exploitation and other crimes committed against children. That is why Border Force staff need to determine whether the adult travelling with the child has parental responsibility or parental authority had been given to travel with the child.

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Advertisement