এহসানুল ইসলাম চৌধুরী শামীম ।। রন্ধন শিল্প একটি আন্তজার্তিক পেশা। দেশে বিদেশে রন্ধন শিল্পের চাহিদা ব্যাপক।রেষ্টুরেন্ট ব্যবসার মুল সাফল্য নির্ভর করে রান্নার সাধ ও খাবারের পুষ্টি মানের উপর, যা নিশ্চিত করেন একজন দক্ষ শেফ। তেমনি একজন আন্তজার্তিক মানের শেফ হচ্ছেন মোঃ বিল্লাল হোসেন।


বিল্লাল হোসেন রন্ধন শিল্পের উপর ডিপ্লোমা বা অন্যান্য কোর্স করেছেন।
তিনি ফুড এন্ড কার্ভিং স্পেশালিস্ট। কাতার থেকে ব্রিটেনের নর্থাম্পটনে তামারিনড রেষ্টুরেন্ট একটি অনুষ্ঠানে এসেছিলেন বিল্লাল হোসেন। সেই সময়ে এ প্রতিবেদকের সাথে একান্ত সাক্ষাতকালে  রন্ধনশিল্পে ক্যারিয়ারের সম্ভাবনা এবং সাফল্যের নানাদিক নিয়ে কথা বলেছেন গুণী এই রন্ধনশিল্পী।
বিল্লাল হোসেন দীর্ঘ ষোল (১৬) বছর সরাসরি রন্ধন শিল্পের সঙ্গে জড়িত। বাংলাদশে রান্নাবিষয়ক বিভিন্ন টেলিভিশনে উপস্থাপনা ও প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
কিভাবে এ পেশায় এলেন? এ প্রশ্নের জবাবে বিল্লাল হোসেন বলেন,  “ছোটবেলা থেকে আমার রান্না বান্নার উপর শখ ছিল।আমার মা রান্না করতেন। আর আমি তা দেখতাম। সেই থেকে এ কাজের প্রতি আগ্রহ বাড়তে থাকে। এস এস সি পাশ করার পড়ে রেষ্টুরেন্টে প্রথম যোগ দেই ২০০২ সালে ডিসেম্বরে ডিস ওয়াসার হিসাবে। তার পড়ে কাজ শিখে উপরের দিকে আসি।ডিস ওয়াসার থেকে হেল্পপার, তার পরে কোক, তান্দুরী শেফ।তার পরে শেফ। এ ভাবেই ধাপে ধাপে চলে আসি।এর পরে গুলশানে একটি রেষ্টুরেন্টে শেফ এর কাজ করি। তার পরে ধানমন্ডি প্রিন্স রেষ্টুরেন্ট আমি ওপেন করি ২০০৬ সালে।সেখানে ছিলাম ২০০৯ প্রযন্ত।”

বিল্লাল বলেন, “রেষ্টুরেন্টে কাজ করার পর যোগ দেই বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্সে, এর ফাঁকে ফাঁকে বাংলাদেশের প্রথম সাড়ির বিভিন্ন নিউজ পেপারে রেসিপির উপর কলাম লিখি।বিভিন্ন টেলিভিশনে রান্নার উপর অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছি।বর্তমানে কাতার এয়ার ওয়েজের শেফ হিসাবে কাজ করছি।”

কাতার এয়ারলাইন্সে কর্মরত বৃহত্তর কুমিল্লার কৃতি সন্তান শেফ মোঃ বিল্লাল হোসেন BTV, ATN BANGLA, CHANNEL I, NTV, ETV সহ দৈনিক প্রথম আলো, কালের কণ্ঠ, ডেইলি স্টারে নিয়মিত রান্না বিষয়ক অনুষ্ঠান এবং লেখা প্রকাশ করে আসছেন। সম্প্রতিক সময়ে অতিথি বিচারক হিসাবে কাজ করেছেন The Rupchanda Daily Star Super Chef- 2018 তে।
কাতার এয়ারলাইন্সে কর্মরত আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন শেফ মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন অন্য এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, “রন্ধন শিল্পটাকে ভালোবাসতে হবে ও পুষ্টিগুণ বজায় রাখতে হবে। এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতিতে খাদ্য পরিবেশনের মাধ্যমে সহজেই ব্যবসায়িক সাফল্য আনা সম্ভব।”

Advertisement