করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশের ৫ সুপারিশ

বৈশ্বিক করোনা মহামারি মোকাবিলায় পাঁচ দফা সুপারিশ উত্থাপন করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ একে আবদুল মোমেন। সম্প্রতি কোভিড-১৯ নিয়ে মন্ত্রী পর্যায়ের এক ভার্চুয়াল সভায় এ সুপারিশ তুলে ধরেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেনের নিমন্ত্রণে ড. মোমেন এ অনুষ্ঠানে যোগদান করেন।শুক্রবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সভায় ২৫টি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অংশ নেন।মোমেন বলেন, অনেক নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশের অন্যায্য টিকা বৈষম্য দূর করতে তাদের জন্য অর্থায়ন ও সক্ষমতা বাড়াতে সময়বদ্ধ কর্ম পরিকল্পনার প্রয়োজন।

দ্বিতীয় সুপারিশে তিনি বলেন, লিঙ্গ ও ভৌগলিক ভারসাম্য বিবেচনায় নিয়ে পরবর্তী মহামারি প্রতিরোধ ও মোকাবিলায় বিশ্ব নেতাদের সমন্বয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক একটি উচ্চ পর্যায়ের প্যানেল গঠন।তৃতীয় সুপারিশে ড. মোমেন বলেন, জাতীয় পর্যায়ের রোগ নিয়ন্ত্রয়ক সংস্থাগুলোকে শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্কার নেতৃত্বে একটি বিশেজ্ঞ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা।তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো কিছু নির্দিষ্ট দেশকে টিকা উৎপাদনে সক্ষম করতে মেধা স্বত্ব অধিকারের ক্ষেত্রে অর্থপূর্ণ উপায়ে যথাযথ হস্তক্ষেপ করা।পঞ্চম সুপারিশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মহামারির প্রাদুর্ভাব এবং জলবায়ু পরিবর্তন ও জীব বৈচিত্র্যের ক্ষতির মধ্যে সংযোগ সাধন করা।সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশ্বিক গড় মৃত্যু থেকে বাংলাদেশের গড় মৃত্যুর হার কম বিষয়টির ওপর আলোকপাত করেন। এছাড়া বর্তমানে বাংলাদেশে সংক্রমণের হার এক শতাংশের নিচে বলেও জানান তিনি।সব দেশ যেন সাশ্রয়ী মূল্যে করোনার টিকা কিনতে পারে সে জন্য করোনার টিকাকে ‘বৈশ্বিক গণদ্রব্য’ হিসেবে স্বীকৃতির দাবি করে আসছে বাংলাদেশ। একই দাবি ওই সভায় পুনর্ব্যক্ত করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

Advertisement