ব্রিট বাংলা প্রতিবেদক : একটি উক্তির মধ্যে কতোটুকু গভীরতা রয়েছে জেনে নেই নেতা হওয়ার চ্যালেঞ্জ হল শক্তিমান কিন্তু অতি কাঠখোট্টা না হওয়া; দুর্বল না হয়েও দয়াশীল হওয়া; কঠোর হয়েও অত্যাচারী না হওয়া; চিন্তাশীল হয়েও অলস না হওয়া; বিনীত হয়েও নরম না হওয়া; গর্বিত হয়েও অহঙ্কার না করা; এবং হাসিখুশি হয়েও হাসির পাত্র না হওয়া”

– জিম রন (সফল উদ্যোক্তা ও মোটিভেটর)
জিমরনের এই কয়েকটি লাইনের সূত্রধরে আজকের লেখার মুল উদ্দেশ্যের দিকে যাত্রা ।
জনপ্রতিনিধি হলেন জনস্বার্থে এবং জনমানুষের প্রয়োজনে শাসনব্যবস্থাকে বিকেন্দ্রীকরণ ও শাসনকাজে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উদ্ভাবন এবং সেই ব্যবস্থা পরিচালনার ক্ষেত্রে সৎ যোগ্য নেতৃত্ব এবং জবাবদিহিতায় বিশ্বাসী প্রতিনিধি ।
বর্তমান গ্রহণের কালে এবং বৈরী সময়ে মানুষের আস্থাও বিশ্বাসের জায়গা গুলো ছোট হয়ে আসছে সারা দেশের করোনা কালের সরকারের এবং ব্যক্তি উদ্যোগ ও স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের সাধারণ মানুষের কল্যানে কাজ গুলোর সঠিক বিন্যাস নিয়ণ্ত্রন এবং বিতরণ পরিসেবার ক্ষেত্রে যেমন সুখকর খবর আছে এর ধারাবাহিকতায় চুরি,আত্মসাত সহ বিভিন্ন অনিয়ম গুলো প্রতিদিন শিরোনাম হচ্ছে ।
মানুষের সেবাকে যিনি নিজের পবিত্র দায়িত্ব হিসাবে নিয়ে এখনও পর্যন্ত উদাহরনের মাত্রা হয়ে সিলেট বাসীর নজর কেঁড়েছেন যে কয়জন তাদের মধ্যে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের জন্মলগ্ন থেকে যিনি কাউন্সিলার হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন নগরীর বৃহত্তম জনগোষ্ঠির বসবাসরত ওয়ার্ড ৬নং ওয়ার্ডের ।
কাউন্সিলার ফরহাদ চৌধুরী শামীম (যাকে মানুষ ফরহাদ শামীম ) নামে চেনে ।
দলীয় রাজনীতির উর্ধ্বে উঠে সকল মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে সরকার,প্রশাসন ও সিটি কর্পোরেশন এবং রাজনীতিক দল, সমাজকর্মীদের সমন্বয়ের মধ্যে দিয়ে, নাগরিক সেবার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে দেশও বিদেশে আলোচিত ।
নাগরিকসেবা, ন্যায় বিচার ,এলাকার উন্নয়নের কথা বাদ দিলেও বর্তমান করোনা পরিস্থিতির সময়কালে সরকার,সিটি কর্পোরেশন এর বরাদ্দ কৃত ত্রান সামগ্রী সংগ্রহও বিতরণও বণ্টন এবং নিজে হাজার হাজার ঘরে গিয়ে পৌঁচে দেওয়ার পাশাপাশি ,বিশাল কর্মী বাহিনী, মনিটরিং, ভুক্ত ভোগী পরিবার চিহ্নিত করণ এবং স্বচ্ছৃতার নজীর সৃষ্টি করে।
 সেবা ,জনপ্রতিনিধি ,জবাবদিহিতা, দায়িত্ব এই বিষয় গুলোর প্রতি যথেষ্ট ভাবে মনোযোগী হয়ে জনসেবার প্রকৃত ধারা কি সেটি প্রমান করেছেন  প্রায় চল্লিশ হাজার মানুষের বিশাল এলাকার দারিদ্র সীমার নিচে মানুষের বাস ,তাহা ছাড়া বেকার সমস্যা সহ নিম্ন মধ্যবিও পরিবারের বিশাল অবস্থানের বিপরিতে পর্যাপ্ত ত্রান বরাদ্দ, লবিং এমনকি সাম্প্রতিক সময়ে সিটি খাদ্য ফান্ড গঠনে সিটি মেয়রকে চাপ সৃষ্টি এবং রামাদান শুরুর সময়কালে সোসিয়াল মাধ্যমে খোলা চিটি দিয়ে ব্যাপক আলোচনায় আসেন ।
এ প্রসঙ্গে তিনি বারবার বলেছেন, মানুষের কল্যানে আমার রাজনীতি মানবিকতার পক্ষে আমার লড়াই ও জনগনের প্রতি ওয়াদা !
যেদিন মানুষের আস্থা উঠে যাবে নিজে নিজে সরে যাবো !
তিনি বলেন নাীতিকে বিষৰ্জন দিয়ে রাজনীতি হয়না l
মানবিক কারণে সিটি কর্পোরেশন হতে যে খাদ্য সামগ্রী বরাদ্দ হয় এছাড়া করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য সরকার কর্তৃক সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ০৬নং ওয়ার্ডে বরাদ্দকৃত(জিআর) ত্রান চাল) পরিবার গুলোর মাঝে বন্টন করছি।
এসময় জেলা প্রশাসক মনোনীত ট্যাগ কর্মকর্তা ও ত্রান কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আমার ওয়ার্ডের হতদরিদ্র মানুষের পরিবারের জন্য তাহা হলফ করে বলতে পারি স্বচ্ছতার সাথে প্রতি পরিবারকে নিজ নিজ বাসাবাড়িতে পোঁছে দিয়েছি আমি নিজে উপস্থিত থেকে ও ওয়ার্ডের মানবতার ফেরিওয়ালাদের সাথে নিয়ে।
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

মানুষ মানুষের জন্য-জীবন জীবনের জন্য এই ব্রত কে সামনে রেখে বিশ্বব্যাপী মরণব্যাধি করোনাভাইরাস (কোভিড- ১৯) দূর্যোগময় সময়ে হতদরিদ্র নিম্ন-মধ্যবিত্ত মানুষের পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য সিলেট সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক এবং সরকারের আমার ওয়ার্ডের বরাদ্দকৃত খাদ্যদ্রব্য কাউন্সিলর কার্যালয়ে হস্তগতকরণ এবং পরবর্তিতে কাউন্সিলর কার্যালয়ের সামনের মাঠে ওয়ার্ডের সামাজিক সংগঠনের সদস্যদের স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে  প্যাকেটজাতকরণ থেকে শুরু করে বস্তিবাসী বাসাবাড়িতে অসহায় মানুষের পরিবারের নিকট  স্বচ্ছতার সাথে বিতরণের জন্য গত কয়েক সপ্তাহ ধরে রাত-দিন পরিশ্রম করে জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে  আমাকে যাঁরা সহযোগিতা করেছেন মানবতার অগ্রদূত হিসাবে আমার বিশ্বাস ওয়ার্ডবাসী তাঁদেরকে স্বরণ রাখবে।

আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে সকল মানবতার ফেরিওয়ালাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। এবং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের পাশে অতীতের ন্যায় আগামীতেও থাকার অঙ্গিকার ব্যক্ত করছি।

এ পর্যন্ত নাগরিক পরিসেবার আওতায় বিভিন্ন পর্যায়ের ত্রান সেবা পরিচালিত করা সহ পারিবারিক সেবা প্রতিষ্ঠান মরহুম আলাউদ্দিন চৌধুরী ফাউন্ডেশনের গৃহীত কর্মসূচী পালিত হয়েছে এই ওয়ার্ডে।

Advertisement