কোন ধর্মই সহিংসতাকে প্রশ্রয় দেয় না “ওয়েল্স বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্সের ইন্টার ফেইথ ইফতার অনুষ্ঠানে বক্তারা

প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব ইসলামের সুন্দর দিকগুলো অন্যান্য ধর্মালম্বীদের কাছে তুলে ধরা। শান্তি এবং ভালবাসার সংবাদ পৌছে দেওয়া। আর রামাদ্বানের মাধ্যমে ইন্টার ফেইথ ইফতার আয়োজন করার মধ্য দিয়ে মুসলমানরা এ কাজ সহজেই করতে পারেন।

গত ২০ মে সোমবার কার্ডিফ সিটি সেন্টারের বিখ্যাত দা এক্্রচেঞ্জ হোটেলে বিভিন্ন কমিউনিটির অংশগ্রহনে অনুস্টিত হয় ওয়েল্স বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্সের ইন্টারফেইথ ইফতার।
ওয়েল্স বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্সের ইন্টারফেইথ ইফতার উপলক্ষে আয়োজিত প্রোগ্রামে বক্তারা বলেন, কোন ধর্মই সহিংসতা প্রশ্রয় দেয়না। পৃথিবীর প্রায় ২ বিলিয়ন মুসলমন যা মোট জনসংখ্যার ২৮ ভাগ। আর যুক্তরাজ্যে মুসলমানদের সংখ্যা ৭ দশমিক ৭ভাগ। তবে দিন দিন ইসলামোফবিয়া বৃদ্বি পাচ্ছে। আর তাই রামাদ্বানে ইফতার শেয়ারের মধ্য দিয়ে অন্যান্য কমউিনিটির বা ধর্মের মানুষদেরকে আমন্ত্রণ জানিয়ে ইসলামের প্রকৃত সংবাদ পৌছে দেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন চেম্বারের জেনারেল সেক্রেটারী মাহবুব নূর। ওয়েল্স বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্সের প্রেসিডেন্ট ডিলাবর এ হুসাইন বলেন ইন্টার ফেইথ ইফতার আয়োজন করে চেম্বার বড় বড় কোম্পানির সাথে ইসলামিক ফ্রেন্ডলী বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার সুযোগ সুষ্টি করতে পারে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নিউ হোপ কমিউনিটি চার্চ কার্ডিফের প্যাস্টর রেভ ওয়েড মেকলেনান, কার্ডিফ সিটি এফসি ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম ডাইরেক্টর সাইমন স্টেফেন্স, প্রফেসনাল ফুটবলার এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে রিজ রেহমান, যুক্তরাজ্যের অন্যতম বৃহৎ ট্রেড ইউনিয়ন ইউনিসনের চেয়ারম্যান কেব্বা মানেহ ইসক জেপি, ইউভার্সিটি অফ সাউথ ওয়েলসের রিজিওনাল ম্যানেজার জো পালী সহ বিভিন্ন সংগঠন ও ধর্মের ফেইথ লিডারগণ।

ইন্টার ফেইথ ইফতার আয়োজনের মধ্য দিয়ে মুসলমানদের রামাদ্বানের যে শিক্ষা তা জানার সাথে সাথে অন্যান্য ধর্মের ভাল দিকগুলো সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় বলেও জানান তারা
চেম্বারের ভাইস চেয়ার মুক্তার আহমেদ বলেন,বর্তমানে ধর্মের নামে যারাই সন্ত্রাসী কাজ করছে তারা কখনই কোন ধর্মের অন্তর্ভূক্ত হতে পারে না। আর তাই এ ধরনের ধর্মীয় কোন ধর্মই সহিংসতাকে প্রশ্রয় দেয় না। ওয়েল্স বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্সের ইন্টার ফেইথ ইফতার অনুষ্ঠানে বক্তারা।  এ বিষয়গুলোর বিশদ ব্যাখ্যা সহ বৃহৎ কমিউনিটর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করা সম্ভব বলে মনে করেন ডব্লিউবিসিসির বোর্ড অফ ডাইরেক্টর রুজিনা আলিম। এদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন ট্রেড এন্ড ইনভেস্টমেন্ট ডাইরেক্টর আব্দুল আলিম, ডেপুটি সেক্রেটারী ইমতিয়াজ হুসাইন, অর্গানাইজিং সেক্রেটারী শাহ শাফী, মিডিয়া ডাইরেক্টের আফজুল খান, ফাইনান্স ডাইরেক্টর আবু তাহের খান, আইটি সেক্রেটারী ইয়াহিয়া হাসান, বোর্ড অফ ডাইরেক্টর সামসুন নাাহার, মনোহর আলী ছাড়াও বাংলাদেশী কমিউনিটর ব্যক্তিবর্গ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Advertisement