জাতি আরেকটি বিজয় দেখতে চায়

ইপসুইচ এন্ড সাফোক আওয়ামিলীগ এর উদ্যোগে গত ১৭ই ডিসেম্বর রোজ মঙ্গলবার রাত ১১.৩০মিনিটের সময় মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা স্হানীয় একটি রেস্টুরেন্টে অনুষ্টিত হয় ।

সংগটনের সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ও সাধারন সম্পাদক আহমেদ আবুল লেইস এর পরিচালনায় শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন সংগটনের কোষাধ্যক্ষ আব্দুল বাতিন।

প্রথমে শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয় ।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন প্রবীণ আওয়ামিলীগ নেতা ও বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব সৈয়দ গোলাম রব্বানী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগটক আলহাজ আপ্তাব আলী।

এতে বক্তব্য রাখেন, ইপসুইচ এন্ড সাফোক আওয়ামীলীগ যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আব্দুল বাছিত লিমন, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আবদুল হামিদ , সাংগঠনিক সম্পাদক সাদেক হুসেইন বাচছু, ইমিগ্রেশন বিষয়ক সম্পাদক জুবায়েল আহমদ ও সাবেক ছাত্র নেতা আনোয়ার হোসেন সহ প্রমুখ ।
আরো উপস্হিত ছিলেন ইপসুইচ এন্ড সাফোক আওয়ামীলীগ সহ সভাপতি সিরাজ আলী,সহ সভাপতি ফয়েজ আহমদ,সহ সভাপতি আবদুর রহিম,যুগ্ম সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম,যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আলী হোসেন, দপ্তর সম্পাদক আমীর আলী,আইন বিষয়ক সম্পাদক সানু মিয়া, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক আস্কন্দর আলী,শিল্প ও বানিজ্য সম্পাদক ছমিরুল হক মিন্টু,মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক জসিম উদ্দিন,যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হুসেইন মিয়া, সাবেক ছাত্রনেতা সাঈদ আলী ও জাহাঙ্গীর হোসেন সহ আরো অনেকেই ।

পরিশেষে স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত সকল শহীদদের আত্বার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন সংগটনের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আশকর আলী।

বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বিকেলে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন তাঁর মন্ত্রমুগ্ধকর ভাষণে।

সেই ময়দানেই একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর প্রায় ৯৩ হাজার ৬৩৪ সদস্য আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেছিল বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ বাহিনীর কাছে।

তখন উৎসবে মেতে উঠেছিল বাঙালি জাতি।সেই দিন থেকে বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন ভূখণ্ডের নাম উচ্চারিত হয়েছিল।

জাতির আনন্দগন এই জাতীয় দিবস। ৪৭বছরেও সেই আনন্দের এতটুকু কমতি নেই,বাংলাদেশ আরো এগিয়ে যাক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তাই আবারো আওয়ামীলীগ কে ৩০শে ডিসেম্বর বিজয়ী করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়ন করার প্রত্যাশা সকলের ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Advertisement