টাওয়ার হ্যামলেটস ডেপুটি মেয়রের পদ থেকে কাউন্সিলর রিচ্যালের পদত্যাগ : Deputy Mayor Saunders quits after Ofsted Reports

আহাদ চৌধুরী বাবু: অবশেষে ডেপুটি মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন টাওয়ার হ্যামলেটসের ডেপুটি মেয়র কাউন্সিলর রিচ্যাল স্যান্ডার্স। গত এপ্রিল প্রকাশিত অফস্টেড রিপোর্টে কাউন্সিলের চিলড্রেন সার্ভিসের চরম ব্যর্থতার চিত্র তুলে ধরা হয়। তখন চিলড্রেন সার্ভিসের লিড মেম্বার ছিলেন কাউন্সিলর রিচ্যাল স্যান্ডার্স। যদিও গত মে মাসে তাকে চিলড্রেন সার্ভিসের লিড মেম্বার থেকে সরিয়ে কেবিনেটের এডাল্ট সার্ভিসের লিড মেম্বারের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার ডেপুটি মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগের পাশাপাশি ২০১৮ সালের কাউন্সিলর নির্বাচনেও প্রার্থী হবেন না বলেও ঘোষনা দিয়েছেন মাইল এন্ড ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রিচ্যাল স্যান্ডার্স। তার ফেইসবুকে এই ঘোষনা দেন তিনি। পদত্যাগপত্রটি মঙ্গলবার রাতে নির্বাহী মেয়রের কাছে পাঠিয়েছেন কাউন্সিলর রিচ্যাল। তা মেয়র গ্রহণ করেছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পূর্বের সংবাদ….

টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল নির্বাচন ২০১৮ : সিরিয়া-যশোয়াসহ ৫ লেবার কাউন্সিলর প্রার্থী হচ্ছেন না

এদিকে কাউন্সিলর রিচ্যালের পদত্যাগের ঘোষনাকে স্বাগত জানিয়েছেন পিপল এলায়েন্স টাওয়ার হ্যামলেটসের লিডার কাউন্সিলর রাবিনা খান।

অন্যদিকে ডেপুটি মেয়র থেকে পদত্যাগের পাশাপাশি ২০১৮ সালের নির্বাচনে প্রার্থী না হওয়ার ঘোষনা টাওয়ার হ্যামলেটস লেবার এবং মেয়র বিগসের জন্যে নতুন সমস্যার সৃস্টি হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। গত কয়েক মাস ধরে এমনিতেই অভ্যন্তরীন নানা সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় লেবার পার্টি।

সাবেক স্পিকার কাউন্সিলার খালেস উদ্দিন আহমদের সাসপেন্ড এবং আইনের মাধ্যমে ফিরে আসা মুলত একটি সমস্যার ক্ষণস্থায়ী সমাধান হয়৷ খালেস উদ্দীনের সাসপেন্ডের ঘটনার প্রভাব নির্বাচনে গিয়ে পড়ে কি না সেটা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। অন্যদিকে তিনজন ডেপুটি মেয়র এর মধ্যে কাউন্সিলার শিরিয়া খাতুন নির্বাহী মেয়র জন বিগসের সাথে মতবিরোধের সুত্র ধরে আগেই পদত্যাগ করেছেন। তিনিও ২o১৮ সালের কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নেবেন না বলেও ঘোষনা দিয়েছেন।

ইতিমধ্যে লেবার দলীয় প্রভাবশালী কাউন্সিলার জাসুয়া প্যাক, এ্যামি হয়াইট লক সহ পাঁচ জন কাউন্সিলার আগামী নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার যোষনার রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন করে মঙ্গলবার বর্তমান ডেপুটি মেয়র এল্ডারলী সার্ভিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত লিড মেম্বার মাইলেন্ড ওয়ার্ডের কাউন্সিলার র‍্যাচেল স্যান্ডার্স পদ ত্যাগ এবং আগামি নির্বাচনে প্রার্থী না হওয়ার ঘোষনা দিলেন৷ যদিও পদত্যাগের বিষয়টি তার ব্যক্তিগত যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ কৱেন৷ যদিও লেবার পার্টির আভ্যন্তরিন রাজনীতিতে ব্যথর্তা নিয়ে পদত্যাগের দাবীটি জোরালো ছিলো ৷

এক্ষেত্রে টাওয়ার হ্যামলেটসের লেবার পার্টির রাজনীতি এবং জনবিগসের নেতৃত্বসহ আভ্যন্তরীন কোন্দল আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে টাওয়ার হ্যামলেটসের লেবার পার্টির জন্য পথের কাঁটা হতে পারে’বলে মনে কৱেন অনেকে৷

Deputy Mayor Saunders quits after Ofsted Reports

The deputy mayor running Tower Hamlets children’s services in east London which came under fire for not knowing if youngsters were being “abandoned or trafficked” is quitting.

Rachael Saunders, whose Children’s Department was condemned by Ofsted in April, put in her resignation last night to Mayor John Biggs and steps down at the end of the month.

The Mile End ward councillor is also standing down from the council next May, she reveals on her Facebook Page, saying “it is time to make space for others to come through”.

Too many children remained in “situations of actual or potential harm” because of insufficient scrutiny by the council’s chief executive, the children’s services director and politicians, Ofsted inspectors found.

Cllr Saunders was moved to Adult Services soon after the report in Mayor John Biggs’ cabinet reshuffle.

“She has finally accepted the inevitable,” Opposition People’s Alliance leader Rabina Khan told.

Ofsted criticised failings in leadership, while grading her department “inadequate”. Officials failed to intervene in childcare cases and were “clueless whether children were at risk of harm or trafficking”, Ofsted found.

 

Cllr Saunders quitting has added pressure to Mayor Biggs’ narrow-majority Labour administration, following the earlier resignation of Deputy Mayor Shiria Khartun after she was allegedly removed abruptly as the cabinet member for community affairs.

Cllr Khartun won’t be standing for relection next May, nor eill another cabinet front-bencher Joshua Peck. This opens a gap in the Labour mayor’s team at a time it faces opposition from the rump of former independent Mayor Lutfur Rahman’s banned administration for mal-administration which put the council in ‘special measures’ in 2015 until earlier this year.

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Advertisement