স্টুডেন্ট ভিসা থেকে বঞ্চিত বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারত। টিয়ার ওয়ানে আছে বিশেষ সুযোগ : Foreigners will be allowed to study at UK universities without having to prove that they can speak English

ব্রিটবাংলা ডেস্ক : শিক্ষাগত কিংবা ইংলিশ ভাষাজ্ঞানের যোগ্যতা প্রমাণ ছাড়াই নির্দিষ্ট কিছু দেশের শিক্ষার্থীরো ইউকের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন। টিয়ার ফোর ভিসার অপব্যবহারের ক্ষেত্রে কম ঝুঁকিপূর্ন দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের এই সুযোগ দিয়েছেন ব্রিটিশ হোম সেক্রেটারী সাজিদ জাভিদ। হোম সেক্রেটারীর এই ফেভারিজমের তালিকায় নেই বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং ভারত।

টিয়ার ফোর ভিসা আবেদনে নন-ইইউর নির্দিষ্ট ৩০টি দেশের শিক্ষার্থীদের বাড়তি সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি টিয়ার টু ভিসা ক্যাপ থেকে নন-ইইউ ডাক্তার ও নার্সদের আলাদা করেছেন হোম সেক্রেটারী। একই সঙ্গে টিয়ার টু ভিসা ক্যাপের বাইরে অতিরিক্ত আরো ৮ হাজার আইটি স্পেশালিস্ট, ইঞ্জিনিয়ার এবং শিক্ষক আসার সুযোগ পাবেন বলেও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। এছাড়াও টিয়ার ওয়ান ভিসার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো হাইলী স্কীলড প্রফেশনালরা ফ্যাশন, সাইন্স, হিউম্যানিটিস, মেডিসিন, ডিজিটাল টেকনোলজি এবং আর্টস সেক্টরে ভিসার জন্যে আবেদন করতে পারবেন। টিভি এবং ফিল্মিং সেক্টরেও প্রফেশনালরা ভিসার জন্যে আবেদন করতে পারবেন।

Sajid Javid – UK Parliament official portraits 2017

হোম সেক্রেটারী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ব্রিটিশ ইমিগ্রেশন পলিসিকে সহজতর করার অংশ হিসেবে বিদেশী শিক্ষার্থীদের এই সুযোগের ঘোষণা দেন সাজিদ জাভিদ। একই সঙ্গে নন-ইইউ দেশের মাইগ্র্যান্টস এবং রিফিউজিদের ইউকেতে এসে কাজ করার সুযোগকেও আরো সহজ করার ঘোষণা দেন তিনি। এর আগে সাবেক হোম সেক্রেটারী থেরিজা মের আমলে করা নন-ইইউ দেশগুলোর জন্যে টিয়ার টু ভিসা ক্যাপ থেকে এনএইচএসে ডাক্তার এবং নার্সদের আলাদা করেন। এছাড়া একই ভিসার অধিনে নন-ইইউ দেশ থেকে অতিরিক্ত আরো ৮ হাজার হাইলী স্কীলড স্টাফ অর্থাৎ আইটি বিশেষজ্ঞ, ইঞ্জিনিয়ার এবং শিক্ষক ভিসার পাবার সুযোগ পাবে বলে ঘোষণা দেন হোম সেক্রেটারী সাজিদ জাভিদ।

তবে শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট দেশের তালিকা প্রকাশ করেছে হোম অফিস। তালিকার বাইরের দেশগুলোর শিক্ষার্থীরা নতুন সুযোগ পাবে না। যদিও  ইতোমধ্যে সরকারের ‘ট্রাস্টেড’ দেশ হিসেবে ১১টি দেশের একটি তালিকা আছে। এই এগারটি দেশের প্রায় ১০০৭৯ জন শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে ইউকেতে পড়ালেখা করার জন্যে ভিসা পেয়েছেন। এই ট্রাস্টেড ১১টি দেশের সঙ্গে নতুন কর যোগ হবে ‘লো রিস্ক’ দেশগুলো। সব মিলিয়ে প্রায় ৩০টি দেশের শিক্ষার্থীদের ইউকের ভিসা পাওয়ার জন্যে এখন থেকে আর ইংলিশ ভাষায় কথা বলার কোনো পূর্বাভিজ্ঞতার প্রমাণ দেখাতে হবে না। একই সঙ্গে লিভিং কস্ট হিসেবে মাসে ১ হাজার ২শ ৬৫ পাউন্ড ব্যাংকে জমা দেখানোরও প্রয়োজন হবে না।

বিশেষ সুযোগ প্রাপ্ত দেশেগুলো হল আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, বারবাডোস, বোতসোয়ানা, ব্রোনাই, কানাডা, চিলি, হংকং, জাপান, মালয়েশিয়া, নিউজিল্যান্ড, কাতার, সিঙ্গাপুর, সাউথ কোরিয়া, ত্রিনিদাদ এন্ড টোবাগো, আরব আমিরাত, ইউএস এবং থাইল্যান্ড, চায়না, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ম্যাক্সিকো, বাহরাইন, সাইবেরিয়া, কুয়েত, ডমিনিক রিপাবলিক, মালডিভ এবং মাকু।

এছাড়া টিয়ার ওয়ান ভিসার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো হাইলী স্কীলড প্রফেশনালরা ফ্যাশন, সাইন্স, হিউম্যানিটিস, মেডিসিন, ডিজিটাল টেকনোলজি এবং আর্টস সেক্টরে ভিসার জন্যে আবেদন করতে পারবেন। টিভি এবং ফিল্মিং সেক্টরেও প্রফেশনালরা ভিসার জন্যে আবেদন করতে পারবেন।

শিক্ষার্থীদের ভিসা আবেদনে শীতিলতাকে স্বাগত জানিয়েছে ইউকের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। তাদের মতে, বিদেশী শিক্ষার্থীরা বছরে প্রায় ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন পাউন্ড যোগ করেন ব্রিটিশ অর্থনীতিতে। অন্যদিকে সমালোচকরা বলছে,  ২০০৯ সালে দুর্বল এডুকেশন ভিসার সুযোগকে অপব্যবহার করা হয়েছে। আর অপব্যবহারের তালিকায় সবচাইতে আগে নাম উঠে আসে ভারতের। যদিও হোম অফিস থেকে বলা হচ্ছে, বর্তমানে নন-ইইউ যেসব দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের জন্যে ভিসা আবেদনে শীতিলতার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, ভিসা আবেদনের সুযোগ অপব্যবহারের ক্ষেত্রে সেই সব দেশের নাম কখনোই ছিল না।

Tens of thousands of foreign students will be allowed to attend universities in Britain without having to prove they have the right qualifications.

The Government has also scrapped rules requiring them to provide evidence they have enough funds to live here and can speak English.

Home Secretary Sajid Javid yesterday simplified the process of securing so-called ‘Tier 4’ visas for students from countries it considers a ‘low risk’ of abusing the system.

Critics warned that easing the rules risked bogus or underqualified students who submitted applications in a bid to beat border controls slipping through the net. But the Home Office insisted there was no evidence students from the countries involved had exploited the system. Officials insisted random spot-checks would weed out wrong-doing.

The measure is part of a raft of reforms unveiled by Mr Javid which relax immigration rules. At the same time, he made it easier for non-EU migrants and refugees to come to Britain to work and live.

He acted a day after relaxing visa rules so thousands more foreign doctors and nurses will be able to work in Britain. He cut migration controls to allow the NHS to recruit more staff, meaning other businesses and employers will be able to hire an extra 8,000 skilled non-EU workers, such as engineers, IT professionals and teachers.

Advertisement