ট্রিগার ব্যালটে ভাগ্য নির্ধারিত হবে নিউহ্যাম মেয়রের : Newham mayor trigger ballot set to be re-run, Labour Party confirms

ব্রিটবাংলা ডেস্ক : নিউহ্যাম মেয়র স্যার রবিন ওয়েলসের ভাগ্য নির্ধারণের জন্য আবারো ট্রিগার ব্যালট হবে। আগামী মে মাসের মেয়র নির্বাচনে স্যার রবিন অটোমেটিক্যালি লেবার পার্টির প্রার্থী হবেন কি না, তা ট্রিগার ব্যালটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিতে নির্দেশ দিয়েছে গ্রেটার লন্ডন লেবার পার্টি। একটি ইমেইলের মাধ্যমে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ট্রিগার ব্যালটে ভোটাভুটি করতে  হবে বলে স্থানীয় লেবারকে জানিয়েছে গ্রেটার লন্ডন লেবার পার্টি। নিউহ্যাম রেকর্ডারে প্রকাশিত এক সংবাদে এসব তথ্য জানা গেছে।

এর আগে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে প্রথম একটি ভোটাভুটি হয়। তাতে স্যার রবিন জয়ী হলেও এ নিয়ে অস্বচ্ছতার  অভিযোগ উঠে।

ট্রিগার ব্যালটে ২০টি ওয়ার্ড কমিটির ভোটের মধ্যে মেয়র পান ৯টি। ১১টি ভোট তার বিপক্ষে পড়ে। তবে এফিলিয়েট সদস্যদের ভোট যোগ করে মেয়রের ভোট হয়ে যায় ২০টি। অন্যদিকে বিপরীতের সংখ্যা হয় ১৭টি।

অভিযোগ হল, ট্রিগার ব্যালট ভোটে এফিলিয়েট সদস্য সংগঠনগুলোর ভোট ১টা হলেও মেয়র প্রভাব খাটিয়ে এর কিছুটা পরিবর্তন ঘটিয়েছেন। অন্যদিকে বিরোধী পক্ষের দাবী হল, এখানে প্রার্থী হবার প্রতিযোগিতায় নতুনদের সুযোগ দেওয়া উচিত। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরের ট্রিগার ব্যালটের রেজাল্টকে চ্যালেন্জ করে তারা হাইকোর্টর যাবার হুমকি দেন। তারো আগে তারা ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ কমিটিতেও গিয়েছিলেন। কিন্ত এনইসি সেই অভিযোগের তদন্তে ব্যর্থ হওয়ার পর হাইকোর্টের চ্যালেন্জের মুখে পুরনো ট্রিগার ব্যালটের ফলাফল বাতিল করে নতুন করে ট্রিগার ব্যালটের পক্ষে সায় দেন মেয়র।

গ্রেটার লন্ডন লেবার পার্টি জানিয়েছে, দলের সব প্রক্রিয়া অনুসরন করেই এবার ট্রিগার ব্যালট হবে। ২০১৬ সালের ২৫ শে অক্টোবর থেকে আগের ছয় মাস বা তারো বেশি সময় ধরে যারা সদস্য হয়েছেন তাঁরাই তাদের শাখার ভোট দেবার সুযোগ পাবেন। ভোট দেওয়ার সুযোগ যারা পাবেন তারা তাদের শাখা থেকে চিঠি পাবেন বলেও জানিয়েছে গ্রেটার লন্ডন লেবার পার্টি।

আগামী ৩রা মে নিউহ্যাম মেয়র এবং ২০টি ওয়ার্ডের কাউন্সিল নির্বাচনের ভোটাভুটি হবে। তার আগে যতদ্রুত সম্ভব নিউহ্যাম লেবারকে তাদের মেয়র এবং কাউন্সিলর প্রার্থীতালিকা চুড়ান্ত করতে হবে। উল্লেখ্য ২০০২ সাল থেকে লেবার পার্টির প্রার্থী হিসেবে নিউহ্যামের মেয়র নির্বাচিত হয়ে আসছেন স্যার রবিন ওয়েলস।

 

Newham mayor trigger ballot set to be re-run, Labour Party confirms

The trigger ballot to decide whether Sir Robin Wales will be automatically selected as Labour’s candidate for mayor in this year’s elections will be re-run, the party has announced.

An email from the Greater London Labour Party to its members, seen by the Recorder, states that the process will be completed “as soon as possible”.

The original ballot was held in December 2016 to decide whether Sir Robin, as the incumbent mayor, would be automatically put forward as Labour’s candidate or whether there would be an open selection process allowing others the chance of being the party’s representative.

Sir Robin won the trigger ballot with 20 votes to 17 thanks to most affiliated organisations backing him – but 11 out of 20 Labour electoral wards called for the involvement of other candidates.

But last month, he called for the previous result to be scrapped after legal action was launched, explaining that he would be “supporting a new process to be undertaken under the auspices of the national or regional Labour Party”.

This was set to focus around the allegation that Labour’s governing body, the National Executive Committee (NEC), failed to investigate any allegations of wrong-doing.

The party defended itself in the email to members, stating: “The Labour Party maintains that all rules and procedures were applied correctly and that officers of the Local Campaign Forum [which administered the ballot] acted in good faith with the information they were provided with.”

It added that the new trigger ballot “will be run with the same freeze date as the original process, October 25, 2016”.

Only people who had been Labour members for six months or more at that date will be eligible to take part in their branch’s vote, with the party saying it will contact those who fulfil that criteria to notify them of the meeting.

The election for the mayor of Newham, along with ward councillors, is set to take place on Thursday, May 3.

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Advertisement