ডিসেম্বরেই চালু হচ্ছে মেট্রোরেল

তিন মাস পর অর্থাৎ আগামী ডিসেম্বর রাজধানীর উত্তরা থেকে আগারগাঁও রুটে ফজরের নামাজের পর থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত মেট্রোরেল চলাচল করবে। এমনটাই জানিয়েছেন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিক।সোমবার (২২ আগস্ট) মেট্রোরেল প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি এ কথা বলেন।এম এ এন ছিদ্দিক বলেন, এমআরটি লাইন ৬-এর সার্বিক অগ্রগতি ৮১ দশমিক ৭০ শতাংশ। প্রথম পর্যায়ে নির্ধারিত উত্তরা থেকে আগারগাঁও রুটে কাজের অগ্রগতি ৯৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ। ডিসেম্বরে চালুর লক্ষ্যে দুটি বিষয় মাথায় রেখে কাজ করছি আমরা। একটি ইন্টিগ্রেশন টেস্ট, আরেকটি ড্রাইভিং অন সিমুলেটর। এরপর আমরা ১৫ থেকে ২০ দিন যাত্রীবিহীন চলাচল পরীক্ষা করবো। তারপর আমরা প্রত্যাশিত যাত্রী নিয়ে চলাচল শুরু করতে পারব।প্রথমে ১০টি ট্রেন দিয়ে মেট্রোরেল চালু করা হবে। প্রথম দিন ১০ মিনিট পর পর ট্রেন চালু করবো। দ্বিতীয় দিন হয়তো আমরা সাত মিনিটে নামিয়ে আনবো। ক্রমান্বয়ে যাত্রীর চাপের ওপর নির্ভর করবে আমরা কতক্ষণ পর পর ট্রেন ছাড়ব। অনেক যাত্রী অপেক্ষমাণ থাকলে আমরা সাড়ে ৩ মিনিট পর পর ট্রেন ছাড়ব।তিনি আরও বলেন, দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্ধারিত আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি ৮১ দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং ইলেকট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল কাজের সার্বিক অগ্রগতি ৮৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ।তিনি বলেছেন, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডিসেম্বরে উত্তরা থেকে আগারগাঁও এমআরটি লাইন চালু করার লক্ষ্যে কাজ করছি আমরা। পূর্ত কাজের পর আমাদের কাজ অপারেশনের দিকে। একটি ট্রেন আসার পর বিভিন্ন ধাপে যে টেস্টগুলো আছে সেগুলো করে থাকি। ট্রেন আসতেই থাকবে এবং টেস্টগুলো অনবরত চলতে থাকবে।

এম এ এন ছিদ্দিক বলেন, আগারগাঁও পর্যন্ত আমাদের যতগুলো ফাংশনাল টেস্ট করার কথা ছিল সব শেষ হয়েছে। পারফরমেন্স টেস্ট প্রায় শেষ। ১ সেপ্টেম্বর থেকে আমরা ইন্টিগ্রেশন টেস্ট শুরু করবো। এ টেস্ট সর্বোচ্চ তিন মাস লাগতে পারে। তবে তার আগেও শেষ হয়ে যেতে পারে। আমরা সিমুলেটর সংগ্রহ করেছি। সেটি স্থাপনের কাজ চলছে। যারা ট্রেন অপারেটর তাদের সিমুলেটরের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু হবে ১ অক্টোবর থেকে।

Advertisement