Advertisement

বাংলাদেশর পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডঃ এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বিবদমান বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে শান্তিময় বিশ্ব প্রতিষ্ঠার এক সংস্কৃতি চালু করেছে বাংলাদেশ। এই মাসেই পদ্মা সেতু সম্পূর্ন হওয়ার পর পর জাতিসংঘের ইউনেস্কো-বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক পুরস্কার ঘোষণা মুজিব বর্ষের বিজয়ের মাসে আরো নতুন নতুন বিজয়ের সংযোজন।

ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই ইন দ্যা ইউকে আয়োজিত বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম। মন্ত্রী আরো বলেন, “বাংলাদেশ এখন একটি বিরাট সম্ভাবনার দেশ। প্রবাসে যারা আছেন সবাই একেকজন অ্যাম্বেসেডার। বাংলাদেশের এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাবার জন্য নিজেরা উদ্দ্যোগ নিন এবং বিদেশীদের উদ্বুদ্ধ করুন”। ডঃ মোমেন বলেন, যে ভিজিটের বাংলাদেশ গঠনে শেখ হাসিনা সরকারের অগ্রগতি বিস্ময়কর । আগামী দিনের বিশ্বে ডিজিট্যাল ব্যবস্থা উন্নয়নে বাংলাদেশ নেতৃত্ব দেবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

গত ২০ ডিসেম্বর রবিবার লন্ডনে অনুষ্ঠিত এই ভার্চুয়াল আলোচনা সভা, মুক্তিযুদ্ধা সম্বর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দেওয়ান গৌস সুলতান এবং সভা সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুর রকিব এফসিএ। করোনা ভাইরাসের প্রকোপে সাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সহ অন্যান্য নিয়ন্ত্রণ মেনে আয়োজিত এ সভার শুরুতে পরিবেশন করা হয় জাতীয় সঙ্গীত। তারপর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মুক্তিযুদ্ধে শহীদ, মুক্তিযুদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের স্মরনে বিশেষ প্রস্তাব পাস করা হয়। প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন রিপা সুলতানা রকিব ও সমর্থন করেন সুপ্রভা সিদ্দিকী। অ‌্যালুমনাইর বিপুল সংখ্যক সদস্য এবং বেশ কয়েক জন মুক্তিযোদ্ধা, প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও কমিউনিটি নেতার উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এ সভায় বিজয় দিবসের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে সংগঠনের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন হাবিব রহমান, শাহগীর বক্ত ফারুক, ইসমাইল হোসেন, শহীদ পরিবারের সদস্য প্রশান্ত দত্ত পুরকায়স্থ, মুক্তিযোদ্ধা আবু মুসা হাসান, মারুফ চৌধুরী, সৈয়দ সাজেদুর রহমান ফারুক, আবুল কালাম, সৈয়দ হামিদুল হক প্রমুখ।

মুক্তিযোদ্ধাদের সামাজিক ভাবে সম্মাননা প্রদর্শন হয়তো এই প্রথম তবে ভবিষ্যতে তা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সভার সভাপতি দেওয়ান গৌস সুলতান। মুক্তিযুদ্ধের গান গেয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের অভ্যর্থনা জ্ঞাপন করা হয়।

অতঃপর অনুষ্ঠিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সিরাজুল বাসিত কামরানের পরিচালনায় এবং ব্যারিষ্টার মাহরুন আহম্মদ মালা ও রিপা সুলতানা রকিবের উপস্থাপনায় এতে সঙ্গীত ও আবৃত্তি পরিবেশন করেন অ্যালুমনাইর নিজস্ব শিল্পী তারেক-জুবের ভ্রাতৃদ্বয়, দেওয়ান গৌস সুলতান, ডঃ শ্যামল চৌধুরী, এস এম মোস্তাফিজুর রহমান, নিলুফা ইয়াসমিন হাসান, ব্যারিষ্টার এম কামরুল হাসান, মোস্তফা কামাল মিলন, সৈয়দ তারেকুল ইসলাম, সৈয়দ আবু ইকবাল, রিপা সুলতানা রকিব, ব্যারিষ্টার বেলাল রশিদ, সাইদা চৌধুরী, তামান্না ইকবাল এবং শিশু শিল্পী প্রীয়ম পুরকায়স্থ প্রমুখ।