নিউহ্যামে প্রায় অর্ধেক ল্যান্ডলর্ড ভাড়াবাবদ আয় দেখান না : চ্যান্সেলারের কাছে মেয়রের চিঠি : Half of landlords in Newham borough fail to declare rental income

জারা হোসাইন : বেশির ভাগ প্রাইভেট ল্যান্ডলর্ড সেল্ফ এসেসমেন্টে রেজিস্টার্ড না হওয়ার ফলে লন্ডন বারা নিউহ্যাম থেকে সরকার বছরে প্রায় ২শ মিলিয়ন পাউন্ড লোকসান দিচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। নিউহ্যামে প্রায় ৩০ হাজারের বেশি প্রাইভেট প্রোপার্টি প্রায় ৫ হাজার ল্যান্ডলর্ড ভাড়া দিতেন কিন্তু ল্যান্ডলর্ড লাইসেন্সিং স্কীম চালুর পর দেখা গেছে প্রায় ২৭ হাজার পৃথক পৃথক ল্যান্ডলর্ড প্রায় ৫০ হাজার প্রোপার্টির মালিক। এর মধ্যে প্রায় ১৩ হাজার ল্যান্ডলর্ড তাদের ভাড়া বাবদ আয় ঘোষণা না করার ফলে সরকারের প্রায় ২শ মিলিয়ন পাউন্ড গচ্ছা যাচ্ছে বলে মনে করছেন নিউহ্যাম মেয়র স্যার রবিনস ওয়েলস।
ল্যান্ডলর্ডদের জন্যে ইউকেতে প্রথম নিউহ্যাম বারাতে লাইসেন্সিং স্কীম প্রবর্তন করা হয়। ২০১৩ সালে চালু হওয়া এই স্কীমের মাধ্যমে মূলত ল্যান্ডলর্ডদের নাম এবং প্রোপার্টির ঠিকানা এইচএম রিভিনিউ এবং কাস্টমের সঙ্গে শেয়ার করা হয়। তবে নিউহ্যামে প্রায় ২৭ হাজার রেজিষ্টার্ড ল্যান্ডলর্ড থাকলেও ১৩ হাজারের মতো ল্যান্ডলর্ড সেল্ফ এসেসমেন্টের জন্যে রেজিষ্টার্ড নয় বলে মনে করছেন বারার নির্বাহী মেয়র। এইচএমআরসির নিয়ম অনুযায়ী, কোনো পোপার্টির মালিক ভাড়াবাবদ বছরে ২ হাজার ৫শ পাউন্ডের বেশি আয় হলে তার সেল্ফ এসেসমেন্টে প্রকাশ করা উচিত।
নিউহ্যামের মেয়র স্যার রবিন ওয়েলস চ্যান্সেলার ফিলিপ হ্যামনের কাছে এক চিঠিতে এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, নিউহ্যামের প্রায় ১৩ হাজার ল্যান্ডলর্ডের ভাড়া বাবদ আয়ের সঙ্গে তাদের ঘোষিত আয় এবং কাউন্সিল রেকর্ডে গড়মিল রয়েছে। যাতে এইচএমআরসি’র স্বার্থ জড়িত রয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করেন তিনি।
যদিও ল্যান্ডলর্ড লাইসেন্সিং স্কীমটি রিনিউ করার জন্যে ডিপার্টমেন্ট ফর কমিউনিটিস এন্ড লোকাল গভর্ণমেন্টের সঙ্গে লড়াই করে যাচ্ছে নিউহ্যাম। ২০১৫ সাল থেকে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এই লাইসেন্সিংয়ের মাধ্যমে ল্যান্ডলর্ডদের উপর একটি বাড়তি ব্যয় আরোপ করা হয়েছে। রেডব্রিজ বারা ইতোমধ্যে ল্যান্ডলর্ড লাইসেন্সিং রিনিউ করতে ব্যর্থ হয়েছে। নিউহ্যাম মেয়র চিঠিতে, ২০১০-১১ সাল থেকে সরকার কর্তৃক নিউহ্যামে স্কুল, সোসাল কেয়ার এবং হাউসিংয়ে গ্রান্ড কর্তনের বিষয়টি উল্লেখ করে নিউহ্যামের ল্যান্ডলর্ড লাইসেন্সিংয়ের বিষয়টি বিবেচনার জন্যে চ্যান্সেলারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। আগামী ডিসেম্বরে নিউহ্যাম বারার ল্যান্ডলর্ড লাইসেন্সিং স্কীমের মেয়দ শেষ হবে। স্কীমটি আগামী ৫ বছরের জনে রিনিউ করতে সরকারের কাছে আবেদন করেছে নিউহ্যাম।
অন্যদিকে এইচএমআরসি থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিউহ্যাম বারায় লেট প্রোপার্টি ক্যাম্পেইনের বিষয়ে কাজ করছে এইচএমআরসি। এর মাধ্যমে অপরিশোধিত ট্যাক্স এবং ইন্টারেস্ট বাবদ অতিরিক্ত প্রায় ১শ ১৫ মিলিয়ন অর্থ যোগান হতে পারে। ২০১৪ সাল থেকে লেট প্রোপার্টি ক্যাম্পেইন শুরু করেছে এইচএমআরসি। এইচএমআরসি মনে করছে, দেশে প্রায় ১ মিলিয়নের বেশি বাই টু লেট ল্যান্ডলর্ড তাদের ভাড়াবাবদ আয় ঘোষণা করেন না। এর মাধ্যমে ল্যান্ডলর্ডরা বছরে প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন পাউন্ডের ট্যাক্স ফাঁকি দিচ্ছেন বলে মনে করা হয়। আর এই সংখ্যা নিউহ্যামে কম নয়। এদিকে ল্যান্ডলর্ড লাইসেন্সিং স্কীমের অধিনে নিউহ্যাম কাউন্সিলে হাউসিং সংক্রান্ত প্রায় ১ হাজার ১শ ৩৫টি মামলা হয়েছে। ২৮টি ল্যান্ডলর্ডের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। প্রোপার্টির উন্নতি সাধনের জন্যে পাঠানো হয়েছে প্রায় ২ হাজার ১শ ৭০টি নোটিশ। আর সব মিলিয়ে বছরে অতিরিক্ত প্রায় ২ দশমিক ৬ মিলিয়ন কাউন্সিল ট্যাক্স আদায় হয়েছে। কিন্তু ল্যান্ডলর্ড লাইসেন্সিংয়ের আগে নিউহ্যামে প্রায় ৫ হাজার ল্যান্ডলর্ডের মধ্যেমে প্রায় ৩০ হাজার প্রাইভেট প্রোপার্টি ভাড়া যেত। আর লাইসেন্সিয় স্কীম চালু হওয়ার পর দেখা গেছে প্রায় ৫০ হাজার প্রাইভেট প্রোপার্টির মালিক প্রায় ২৭ হাজার পৃথক পৃথক ল্যান্ডলর্ড। নিউহ্যামের পর লিভারপুল, ওয়ালথাম ফরেস্ট, বার্কিং এন্ড ডেগেনহ্যাম এবং ক্রয়ডন কাউন্সিলে বাধ্যতামূলক ল্যান্ডলর্ড লাইসেন্সিং স্কীম চালু করা হয়। এই স্কীম চালু রাখার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার কতটা সহায়ক হয় সেটা নিয়ে চিন্তিত আছে বাকী বারাগুলোও। যদিও নিউহ্যাম কাউন্সিল দাবী করছে, বারার ৯০ শতাংশ বাসিন্দা এই স্কীমকে সমর্থন দিচ্ছেন। বারার বেশিরভাগ ল্যান্ডলর্ড ১শ ৫০ পাউন্ডের বিনিময়ে ৫ বছরের জন্যে লাইন্সেস নিচ্ছেন। নিউহ্যামে ল্যান্ডলর্ড লাইসেন্সিং স্কীমের মেয়াদ শেষ হবে আগামী ডিসেম্বরে। কেন্দ্রীয় সরকারের বাধা পেরিয়ে আগামী ৫ বছরের জন্যে স্কীম রিনিউ করতে পারলে ফি দেড় শ থেকে বাড়িয়ে ৪শ পাউন্ড করা হবে বলেও জানিয়েছে নিউহ্যাম কাউন্সিল। লিভারপুলে বর্তমানে প্রথম প্রোপার্টির জন্যে ৪শ পাউন্ড ফি পরিধোশ করতে ল্যান্ডলর্ড লাইসেন্সিংয়ের জন্যে। বাকী প্রোপার্টিগুলোর জন্যে ৩শ ৫০ পাউন্ড করে।

Half of landlords in Newham borough fail to declare rental income

Up to 13,000 landlords in just one London borough have been identified as failing to declare their rental income, prompting estimates that unpaid tax in the capital is costing the public purse nearly £200m.

Newham council in east London, the first to introduce a compulsory borough-wide licensing scheme for landlords in 2013, shared their names and property addresses with HM Revenue & Customs. Newham, which has 27,000 registered landlords, said it understands that 13,000 had not registered for self-assessment, which is generally required if a property owner receives £2,500 a year or more in rent. HMRC would not confirm the figure.

The council estimated that unpaid tax by landlords is costing the public purse nearly £200m in London – and far more nationally.

In a letter sent to the chancellor, Philip Hammond, the mayor of Newham, Sir Robin Wales, said: “It is our understanding that, to date, up to 13,000 Newham landlords are of interest to HMRC, where there are discrepancies between declared income and our records, with potentially significant financial implication for the exchequer.”

Newham is battling with the Department for Communities and Local Government to have its licensing scheme renewed, following a 2015 clampdown by the government, which said licensing imposes “unnecessary additional costs” on landlords. Neighbouring borough Redbridge has already had its application for landlord licensing rejected.

Wales told the chancellor in his letter: “Our core grant funding has halved since 2010-11, that’s less money for our schools, less money for social care, and less money for housing. I urge you to assess the additional benefits of Newham’s licensing scheme in assisting the exchequer to address tax evasion by landlords.”

Newham said it understands that HMRC is currently contacting local landlords who have failed to register their rental revenues. The tax authorities have the power to claw back unpaid tax over 20 years, with penalties of up to 100% of the tax demanded.

In a statement, HMRC said: “We are working with the London Borough of Newham as part of the Let Property Campaign. This work has generated £115m in additional and previously unpaid tax and interest.”

HMRC’s Let Property Campaign was launched in 2014 amid concerns that up to 1m buy-to-let landlords are not declaring their rental income. HMRC said at the time that it believed landlords were avoiding around £550m in tax, although Newham’s experience may suggest that the figure could be much higher.

Newham said it has instigated 1,135 prosecutions for housing crimes – 70% of all such prosecutions in London. It has banned 28 landlords, served 2,170 notices to improve properties, and recovered £2.6m in additional council tax.

Before Newham began mandatory landlord licensing, it had estimated that the borough had 30,000 private properties rented out by around 5,000 landlords. But as a result of the licensing process, it discovered 50,000 rental properties owned by 27,000 separate landlords.

Liverpool, Waltham Forest, Barking and Dagenham, and Croydon have all introduced compulsory licensing schemes following Newham’s success, but other boroughs hoping to match them have run into opposition from central government.

However, Newham said its licensing had won the support of 90% of local residents, and that the the vast majority of landlords have had to pay just £150 for a five-year licence. However its fee for new landlords is planned to rise to £400. Liverpool charges £400 for the first property and £350 for each additional property.

Newham’s scheme comes to an end in December, and because of the restrictions imposed in 2015, it has been forced to apply for permission for another five-year period. The council made a formal application to the government to continue its scheme last month.

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Advertisement