পুতিনকে পরাজিত করতে বরিস জনসনের ৬ দফা পরিকল্পনা

রুশ বাহিনীর হামলায় ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। হামলার দশম দিনে শনিবার দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের দুটি শহর মারিউপোল ও ভলনোভাখায় পাঁচ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। যদিও তা পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। এরই মধ্যে অন্য শহরগুলোতে রুশ বাহিনীর হামলা অব্যাহত রয়েছে।এ পরিস্থিতিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান ঠেকাতে ৬ দফা পরিকল্পণা দিয়েছে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। খবর বিবিসি।

প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের এ ছয় দফা পরিকল্পণাগুলো হলো-

১. বিশ্ব নেতাদের ইউক্রেনের জন্য একটি ‘আন্তর্জাতিক মানবিক জোট’ গঠন করতে হবে।

২. ‘নিজেদের আত্মরক্ষার জন্যই’ তাদের (দেশগুলোর) উচিত ইউক্রেনকে সমর্থন করা।

৩. রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে হবে।

৪. আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই ইউক্রেনে রাশিয়ার চলমান কর্মকাণ্ডকে প্রতিরোধ করতে হবে।

৫. যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক সমাধানের পথ অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে। এবং সেটি হতে হবে কেবল ইউক্রেনের বৈধ সরকারের পূর্ণ অংশগ্রহণের মাধ্যমই।

৬. সামরিক জোট ন্যাটোর অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ‘নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা’ আরো জোরদার করার জন্য একটি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।ইউক্রেনে রাশিয়ার ‘ভয়াবহ আক্রমণ’ ব্যর্থ করার জন্য রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের ওপর চাপ বাড়াতেই এই ছয় দফা পরিকল্পনা তৈরি করেছেন বরিস। পূর্ব ইউরোপের এই দেশটিতে আক্রমণের প্রায় প্রথম থেকে মস্কোর বিরুদ্ধে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা দেশগুলো। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানে ইতোমধ্যে ইউক্রেনের বিভিন্ন শহর দখলে নিয়েছে রুশ বাহিনী।এদিকে আগামী সোমবার (৭ মার্চ) ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ডাউনিং স্ট্রিটে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জান্টিন ট্রুডো এবং ডাচ প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটের সঙ্গে বৈঠক করবেন বরিস জনসন।

Advertisement