প্যানডোরা পেপার্সে আসা তথ্য অস্বীকার বিশ্বনেতাদের

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং জর্ডানের বাদশাহ আবদুল্লাহ বিন আল হুসাইনসহ অনেকেই অস্বীকার করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে ফাঁস হওয়া সব নথি-পত্র।বিভিন্ন বিবৃতিতে তারা জানিয়েছেন যে তারা ভুল কিছু করেননি। জর্ডানের রাজপ্রাসাদ বলেছে, বাদশাহ আবদুল্লাহর বিদেশে সম্পত্তির মালিক হওয়া অস্বাভাবিক বা অনুচিত নয়। প্যানডোরা পেপার্সের ফাঁস হওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৯ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর বাদশাহ আবদুল্লাহ, যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যে গোপনে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের সম্পদের মালিক হয়েছেন।

এদিকে এরইমধ্যে প্যানডোরা পেপার্সে ফাঁস হওয়া রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের গোপন সম্পদের তথ্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রেসিডেন্টের দাপ্তরিক বাসভবন ক্রেমলিনের মূখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ। প্রেসিডেন্টের যে সব সম্পদের তথ্য তুলে ধরেছে প্যানডোরা, তার সবই অস্পষ্ট বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, “এই মুহূর্তে এটা স্পষ্ট নয় যে তথ্যটি কী? আর যে নথি ফাঁস হয়েছে তাতে প্রেসিডেন্টের কোনও লুকানো সম্পদও আমরা দেখতে পাইনি।এদিকে এক টুইট বার্তায় চেকের প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো মূলত এই সপ্তাহে দেশটির নির্বাচনকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যেই প্রচার করা হয়েছে। আর কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট জানান, তার পরিবার কোনও অফশোর কোম্পানির মধ্য দিয়ে সম্পদ গড়েছে কিংবা চুরি করে লুকিয়ে রেখেছে এমন প্রমাণ দেখাতে পারেনি প্যানডোরা পেপার্স।এদিকে এ ব্যাপারে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া মেলেনি আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট আলিয়েভ ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে। এ খবর নিশ্চিত করেছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান। পাকিস্তানের মন্ত্রিসভার সদস্যসহ শত শত পাকিস্তানির নাম এসেছে এই তালিকায়। তবে তাদের সুষ্ঠু তদন্তের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। সোমবার বিভিন্ন দেশের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের অবৈধ আর্থিক লেনদেনের প্রায় ২০ লাখ গোপন নথি ফাঁস করে প্যানডোরা পেপার্স। এসব নথি প্রথমে ওয়াশিংটন ডিসির ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্ট ‘আইসিআইজে’র হাতে পৌঁছে। এরপরেই বিশ্বের ১৪০ টি দেশের ৬৫০ জন সাংবাদিক এসব নথি বিশ্লেষণ করে তা প্রাকাশ্যে আনেন। সূত্র: বিবিসি

Advertisement