প্রেমের খেসাড়ত : ইংল্যান্ডে বাঙালী কিশোরকে পেটালেন পাকিস্তানী পরিবার : Bengali boy ‘honour’ beating by Pakistani family

ব্রিটবাংলা রিপোর্ট : পাকিস্তানী একটি পরিবারের চার সদস্য মিলে ১৬ বছরের এক বাঙালী কিশোরকে পিটিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করেছে। পাকিস্তানী ওই পরিবারের মেয়ের সঙ্গে প্রেমই ছিল বাঙালী কিশোরের অপরাধ।  তাকে প্রাণে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে মারধর করে ওই মেয়ের বাবা এবং তার পরিবারের অন্য সদস্যরা। লেঙ্কারশায়ার ক্রাউন কোর্টে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

আদালত জানিয়েছে, বাঙালী কিশোর ল্যাঙ্কাশায়ারের ব্লেকবার্ন ল্যাঙ্কসের বাসিন্দা। সে প্রেস্টনের এক পাকিস্তানী মেয়ের সঙ্গে প্রেম করছিল। তাদের প্রেমের রোমাঞ্চকর একটি মুহুর্ত দেখে ফেলেন মেয়ের চাচা গজনফর আলী মির্জা। তিনি তাৎক্ষনিকভাবে মেয়েকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যান। ভাতিজিকে নামিয়ে দিয়ে এসে বাঙালী কিশোরকে গাড়িতে তুলেন তিনি। তাকে নিরব একটি জায়গায় নিয়ে টেলিফোনে গজনফর মির্জা মেয়ের বাবা এবং আরো দুই স্বজনকে ডাকেন। এমনকি তাদেরকে অস্ত্র নিয়ে আসার কথাও বলেন। এসময় জোর করে তারা ওই কিশোরের মোবাইলে ওই মেয়ে এবং বাঙালী কিশোরের মধ্যে প্রেমের বার্তা আদান/প্রদানের প্রমাণ বের করেন। এরপর তারা চারজনে মিলে বাঙালী কিশোরকে ব্যাপক মারপিট করেন। মাটিতে ফেলে তার মাথাসহ শরীরে ভিবিন্ন অঙ্গে লাথি মারা হয়েছে। তাদের কেউ কেউ তাকে মেরে ফেলতে চেয়েছিলেন বলেও আদালতে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে জানিয়েছেন। পরবর্তীতে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় একটি সেলুনের পাশে ফেলে যায় ওই মেয়ের স্বজনরা। এখান থেকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয় ১৬ বছরের বাঙালী কিশোরকে।

বর্তমানে সে সব সময় ভীত অবস্থায় একা ঘরে থাকে। আগের মতো সে একা বের হতে বা স্কুলে যেতে ভয় পায়।

প্রেমের দায়ে বাঙালী কিশোরকে মারধরের অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় শুক্রবার লেঙ্কাশায়ার ক্রাউন কোর্টে পাকিস্তানী বংশোদভূত ওই মেয়ের বাবা মির্জা বেগ, ভাই খিজুম, কাজিন সাকিব এবং চাচা গজনফর আলী দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। গত শুক্রবার আদালতে তার দোষ স্বীকার করেন। আগামী সপ্তাহে তাদের সাজার মেয়াদ ঘোষনা করবে আদালত।

Bengali boy ‘honour’ beating by Pakistani family

A SCHOOLBOY was abducted and brutally attacked in an honour beating by a Pakistani gang because he was dating a girl from their family, a court heard.

The Bengali lad, 16, was repeatedly kicked in the head and hit with weapons as his attackers shouted: “Don’t mess with our blood – find someone of your own kind”.

Another man was heard screaming: “Kill him, kick him in the head, finish him off”.

He was then taken away and dumped near a local barber’s shop, Preston Crown Court heard.

The boy, from Blackburn, Lancs, was later treated in hospital for injuries that appeared to be inflicted by a knuckleduster.

He was left with a scar to his head and is now too scared to leave home by himself.

Appearing in court today were the girl’s father Mirza Baig, 48, as well as brother Khizum, 29, cousin Saqib, 29,  and uncle Ghazanfar, 37.

All four thugs pleaded guilty to affray and will be sentenced next week.

Dad-of-seven Ghazanfar had spotted the boy walking with his niece in Preston on March 7 last year and their secret romance was exposed.

He demanded his niece get in the car and drove off before returning and making the boy get in.

Nicholas Flanagan prosecuting said: “Once they were in the car Ghanzafar locked the doors and sped off up the road telling him ‘you better not be f***ing with my niece’.”

He then rang taxi driver Mirza, his son and his nephew telling them to gather near his house and bring weapons, he added.

They then looked through his phone to find messages between the boy and their relative and began their horrific attack.

The court heard police tried to interview locals in the cul-de-sac but the only witness who assisted with the investigation was the victim himself.

He suffered bruising and lacerations to his ear face, lip, head and torso and at Royal Blackburn Hospital was found to have three large cuts to his head which were treated with staple.

The boy was left with a scar on his head and is too scared to leave home.

In a statement the boy said: ”I’ve lost my independence and I’m scared to leave home by myself.”

A teacher at the his school said he had been a ”hard working, popular and well liked student” — but now his ”smile has disappeared.”

She added: ”The attack has changed him as a person.”

Ghanzafar also admitted false imprisonment whilst Saqib admitted causing grievous bodily harm. Khizum Baig pleaded guilty to assault by beating.

All four denied racial motivation behind their attacks and were remanded in custody ahead of sentencing.#source#thesun#

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Advertisement