ফোর্সড ম্যারেজের অভিযোগে বৃটিশ বাঙালি দম্পতি দোষি সাব্যস্ত : Forced marriage: Parents guilty of luring daughter to Bangladesh

ব্রিটবাংলা ডেস্ক : ১৯ বছরের মেয়েকে বাংলাদেশে নিয়ে ফার্স্ট কাজিনের সঙ্গে জোর পূর্বক বিয়ে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে এক বৃটিশ বাঙালী দম্পতিকে দোষি সাব্যস্ত করেছে লিডস ক্রাউন কোর্ট। ফার্স্ট কাজিনের সঙ্গে বিয়েতে রাজি করাতে মেয়েকে মারপিট এবং বলপ্রয়োগের হুমকি দেওয়ার জন্যেও তাদেরকে দোষি সাব্যস্ত করে আদালত।

তিন সপ্তাহের শুনানি শেষে মঙ্গলবার আদালতের রায়ে জানানো হয়, ২০১৬ সালের জুলাই মাসে হলিডে কাটানোর কথা বলে ছ’ সপ্তাহের জন্যে  এই দম্পতি তাদের মেয়েকে বাংলাদেশে নিয়ে যান। তখন সে এ’ লেভেলের ছাত্রী ছিল। ৩রা জুলাই বাংলাদেশে গিয়ে পৌঁছার এক দিন পরেই তার ফার্স্ট  কাজিনের সঙ্গে মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন তারা। এই প্রস্তাবে কিশোরী মেয়ে রাজী না হওয়াতে বিভিন্নভাবে তাকে চাপ দিতে শুরু করেন। মারপিট এবং জোর করে বিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেন তারা।

ফার্স্ট কাজিনকে মেয়ের বাবা টাকা পয়সা খরচ করে ইউনিভার্সিটি পর্যন্ত পড়িয়েছেন। সেই তাদের এলাকার মধ্যে সবচাইতে ভালো এবং যোগ্যপাত্র বলে তাকে বিয়ে করার জন্যে মেয়েকে চাপ দেন মেয়ের বাবা-মা। বিয়ের পর  এক বছর মেয়েকে বাংলাদেশে রেখে আসার ‍হুমকিও দেন। তাতে মেয়ে গর্ভবতী হবে বলেও আশা ছিল মেয়ের মা-বাবার। বিয়েতে রাজী হওয়ার জন্যে প্রয়োজনে মেয়েকে মারধর করতেও স্বামীকে হুকুম দেন মা। এসব কথা উঠে এসেছে আদালতের শুনানিতে।

ওয়েস্ট ইয়র্কশায়ার পুলিশ জানিয়েছে, বিয়ে নিয়ে এই চাপাচাপির মাঝেই ১৯ বছর বয়সী ব্রিটিশ কন্যা তার বয় ফ্রেন্ডকে ট্যাক্সট ম্যাসেজের মাধ্যমে বাংলাদেশে তাদের ঠিকানাসহ পুরো পরিস্থিতি অবহিত করে। এরপর ছোট ভাইয়ের সহযোগিতা নিয়ে ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সঙ্গেও যোগাযোগ করে অসহায় লন্ডনী কন্যা। এরপর বিয়ের আগের দিন ব্রিটিশ হাইকমিশনার তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

আদালতের রায়ে লিডসের এই বাঙালী পরিবারের কোনো সদস্যের নাম পরিচায় প্রকাশ করা হয়নি। জোর পূর্বক বিয়ে দেওয়ার অভিযোগে আগামী ১৮ জুন দম্পতির সাজার মেয়াদ ঘোষণা করা হবে।

উল্লেখ্য নতুন ফোর্সড ম্যারিজ আইনে এই দম্পতিকে দোষি সাব্যস্ত করা হয়েছে। আইনটি ২০১৪ সালের জোনে পাস হলেও এই আইনের অধিনে খুব কম বিচার হয়েছে। তবে এই আইনের অধিনে প্রথম বিচার হয়েছে গত সপ্তাহে। গত সপ্তাহে মেয়েকে জোরপূর্বক  বিয়ে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে বার্মিংহ্যামে এক মায়ের সাড়ে বছরের জেল হয়েছে এই আইনের অধিনে। মেয়ের বয়সের চাইতে দ্বিগুন বেশি বয়সী বরের সঙ্গে নিজের মেয়েকে জোর পূর্বক বিয়ে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে সাজা হয় মায়ের। এই মায়ের পরিচয়ও প্রকাশ করা হয়নি। তবে পাকিস্তানী এই পরিবারের জোর পূর্বক বিয়ে দেওয়ার চেষ্টার ঘটনা ঘটে ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে। তখন ঐ মেয়ের বয়স ছিল মাত্র ১৭ বছর। আর বরের বয়স ছিল প্রায় ৪০ বছর।

A couple have been found guilty of luring their 19-year-old daughter to Bangladesh in an attempt to force her to marry her first cousin and have a baby with him.

Leeds Crown Court heard the teenager was lured to the country on a sham holiday in July 2016.

She was rescued after she texted her location to her boyfriend, who then told West Yorkshire Police.

The parents, who cannot be named, were convicted of forced marriage.

They were also found guilty of one count of using violence, threats or coercion to force their daughter into marriage, following a three-week trial.

The two defendants were told by Judge Simon Phillips QC to expect a “immediate imprisonment” when they are sentenced on June 18.

The verdict comes just a week after the UK’s first prosecution for forced marriage when a Birmingham mother was jailed for four and a half years.

The jury at the Leeds trial heard that the girl’s parents had told her they were going on a six-week holiday to Bangladesh to visit relatives and celebrate Eid.

However, just days after arriving on July 3 2016, she was told by her father that he had found a husband for her.

The victim, who cannot be named for legal reasons, told the court: “He said ‘I have planned this for years, the guy is really suitable, I’ve given him money for university, and he’s a really attractive guy for round here’.

“He was trying to get me to say yes, but at no point did I say yes. I thought it was disgusting because it was my first cousin and stood my ground.”


The teenager, from Leeds, was supposedly told she would “live like a queen” and that rejecting the proposal would “bring shame” on her parents.

She also said her mother had pressured her father into hitting her, based on the belief it would stop her “rebelling” against the marriage.

The teenager, who was studying for her A-levels at the time, had told her mother that, even if she was forced to marry, she would file a report to authorities saying what had happened.

She told the jury: “But my mum said there was no way that that would happen, because they were going to leave me there for a year so that I would get pregnant so that he [the first cousin] could get a visa.”

With the help of her younger sister, she was able to contact the British High Commission, who rescued her days before the wedding was due to take place.

Presentational grey line

The new offence of forced marriage came into effect in June 2014, but prosecutions have been rare.

In June 2015, a man was jailed at Merthyr Crown Court for offences including forcing a woman into marrying him.

Last week, the Birmingham mother was jailed for forcing her daughter to marry a relative almost twice her age.