বার্মিংহ্যামে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী পারভেজের যাবজ্জীবন জেল : Parvez, who admitted a charge of murdering wife was jailed for life.

ব্রিটবাংলা ডেস্ক : স্ত্রী শাঈন আখতারকে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে জুয়াড়ি স্বামী পারভেজ আখতারকে যাবজ্জীবন জেলদন্ড দিয়েছে বার্মিংহ্যাম ক্রাউন কোর্ট। তাকে অন্তত ২০ বছর জেল খাটতে হবে। তারা বার্মিংহ্যামের ওয়াশউড হীথের বাসিন্দা।

 

৪৬ বছর বয়সী স্বামী পারভেজ আখতার জুয়া এবং মাদকাসক্ত ছিলেন। তার ৪৯ বছর বয়সী স্ত্রীকে সন্তানদের সামনেই ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন তিনি।  এই ঘটনা ঘটে গত বছরের ১৫ অক্টোবর, রোববার বিকেল ৪টার দিকে। এর আগের দিন স্ত্রী শাঈনের প্রায় ২শ পাউন্ড চুরি হয়। জুয়া এবং মাদকের নেশায় মত্ত স্বামী এই অর্থ চুরির পর থেকে ঘটনার দিন বিকাল ৩টার দিকে ঘরে ফেরেন। অর্থ চুরির ঘটনা নিয়ে কারণে ঝগড়া বিবাদের ফাঁকে ঘরের সদর দরোজার সামনেই স্ত্রীকে ছুরিকাঘাত করেন স্বামী পারভেজ। জুয়াড়ো স্বামীকে সংসার ছেড়ে চলে যাবার জন্যে বলেছিলেন স্ত্রী শাইনা আখতার। তাদের ৫ সন্তান।  ৪ থেকে এবং ২৬ বছরের ভেতরে তাদের বয়স। বড় ছেলে আদিল আখতার পুলিশ ডেকে বাবাকে ধরিয়ে দেয়।

 

নিহত শাঈনা আখতার ঘরে সেলাইয়ের কাজ করে অর্থ  জমিয়ে কোনো রকম সংসার চালাতেন। আর সেই অর্থই চুরি করে জুয়া খেলতেন এবং মাদক গ্রহণ করতেন স্বামী পারভেজ।

 

স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী পারভেজকে অন্তত ২০ বছর জেল খাটতে হবে বলে জানিয়েছেন আদালতের বিচারক।

 

 

A mother of five was stabbed to death on the doorstep of her Birmingham home following an argument with her gambling addicted husband.

Parvez Akhtar plunged a combat style knife into his 49-year-old wife’s chest after she had asked him to leave.

The horrifying attack was witnessed by a number of their children.

Akhtar, 46, who admitted a charge of murdering Shaeen Akhtar was jailed for life.

Judge Mark Wall QC said he must serve a minimum of 20 years before being considered for release.

Robert Price, prosecuting at Birmingham Crown Court, said Akhtar and the victim lived in a three bedroom terraced house in Wright Road, Washwood Heath with their children who were aged between four and 26.

She worked at home as a seamstress and described as hard working and strong willed while her husband had developed both an addiction to gambling and drinking.

On occasions Akhtar, after drinking, would become aggressive and “take it out” on his wife and he also stole from her to feed his gambling addiction.

She had challenged him about his gambling and drinking and this had lead to tensions in the family.

On the day before the killing Akhtar stole £200 from the victim, had gone out and did not return until around 3pm the following day, October 15.

They had then argued with Mrs Akhtar asking him to leave and holding the front door open which he was trying to push shut.

He said the weapon he used was a combat style knife which he would take out of the house as protection.

Their eldest son “bravely” tried to intervene and pushed his father away while his mother fled to the lounge where she collapsed.

Attempts were made to give her CPR but she died from massive blood loss.

Akhtar drove off from the scene but was later stopped by police and arrested in Alum Rock.

In a statement Adeil Akhtar, aged 26, said his mother had the “the most beautiful soul” and was a very caring person.

Advertisement