বৃটেনের আদালতে শামীমা বেগমের ভাগ্য নির্ধারণ আজ

আইএস বধূ খ্যাত শামীমা বেগমের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। আট বছর পূর্বে ইসলামিক স্টেটে যোগ দিতে বৃটেন ছেড়েছিলেন তিনি। ২০১৯ সালে তার জন্য বৃটেনের দরজার বন্ধ করে দেয় বৃটিশ সরকার। এরপর থেকে বৃটেনে ফিরতে আদালতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন শামীমা। আজ বুধবার লন্ডনের একটি অভিবাসন আদালত শামীমা বেগমের ভাগ্য নির্ধারণ করে রায় দেয়ার কথা রয়েছে।গত বছর ‘দ্য স্পেশাল ইমিগ্রেশনস আপিল কোর্ট’ বা সিয়াক-এ শামীমা বেগমের আইনজীবীরা দাবি করেন, তিনি মানব পাচারের শিকার হয়েছিলেন। তাকে অনলাইনের মাধ্যমে ব্রেইন ওয়াশ করা হয়েছে এবং পরে তাকে পাচার করে সিরিয়া নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যদিও বৃটিশ সরকারের পক্ষের আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ মূলত জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে শামীমার নাগরিকত্ব বাতিল করেছিলেন। বৃটিশ সরকার সেসময় দাবি করেছিল শামীমার পিতা-মাতা সূত্রে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ছিল। যদিও বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষ এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করে। শামীমার আইনজীবী ড্যান স্কুয়ার্স আদালতকে বলেন যে, শামীমা যদি বাংলাদেশে ফিরে যায় তাহলে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হতে পারে এবং বৃটিশ সরকারের এমন সিদ্ধান্তের কারণে তিনি রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়েছেন।বুধবার এ বিষয়ে চূড়ান্ত রায় দেবে বৃটেনের অভিবাসন আদালত।শামীমা এই রায় শুনবেন সিরিয়ার কুর্দি-পরিচালিত শরণার্থী শিবির থেকে। মাত্র ১৫ বছর বয়সে তিনি সন্ত্রাসী সংগঠন ইসলামিক স্টেটে যোগ দিতে বৃটেন ছেড়ে সিরিয়া গিয়েছিলেন। এরপর ২০১৯ সালে তার বৃটিশ নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়। আদালতের রায় তার পক্ষে গেলে আবারও তিনি বৃটেনে ফিরতে পারবেন এবং নাগরিকত্ব ফেরত পাবেন।

Advertisement