ব্রিট বাংলা ডেস্ক :: লাদাখের প্যাংগং লেকের একপ্রান্তে পঞ্চাশ হাজার ভারতীয় সেনা। অন্যপ্রান্তে পঞ্চাশ হাজার চীনা সেনা। জানুয়ারির কনকনে ঠান্ডায় সংঘর্ষের উত্তাপ যে কোনও মুহূর্তে ফিরে আসতে পারে। আপাতদৃষ্টিতে ভারত – চীন সীমান্ত সংকট সীমিত হলেও যখন তখন তা ফিরে আসতে পারে বলে সমর বিশেষজ্ঞদের অনুমান। এই সংকট মোচনের জন্যে রোববার ভারতের চুশূল এবং চীনের ম্যানডন-এর প্রান্তে বসছে ভারত – চীনের কোর কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠক। এর আগেও এই পর্যায়ে আটটি বৈঠক হয়েছে। কিন্তু তা নিস্ফলাই থেকেছে । প্যাংগং লেক অঞ্চল থেকে ভারত বা চীন কেউই সেনা সরায়নি। শীতের দুরন্ত তুষারপাতের সময়ও সেনাবাহিনী মহড়া চালিয়েছে লাদাখের পূর্বপ্রান্তে। দু’দেশের মধ্যে ১২ অক্টোবর একটি বৈঠক হয়। সেখানে ফরওয়ার্ড পোস্ট থেকে সেনা অপসারণের সিদ্ধান্ত হলেও তা মানা হয়নি। এরপর নভেম্বর মাসে আর একটি বৈঠক হয়। তাতেও সমাধান সূত্র মেলেনি। তাই রোববারের বৈঠকের দিকে তাকিয়ে আছে দু’দেশই। কারণ ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে মার্চ পর্যন্ত বরফ গলার সময়। এই সময় ঘাত-প্রতিঘাতে যাতে সীমান্ত উত্তপ্ত না হয় সেই দিকেই লক্ষ্য দু’দেশের বিদেশ মন্ত্রকের। বিশেষ করে লাদাখ সীমান্তে চীন যেভাবে তাদের যুদ্ধ বিমানের সমাবেশ ঘটিয়েছে তা যথেষ্ট উদ্বেগের কারণ ভারতের জন্যে। ভারতের এয়ার চিফ মার্শাল ভাদোরিয়া অবশ্য সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ভারতীয় বায়ুসেনা তৈরি আছে। আকাশপথে যে কোনও আক্রমণ রুখে দেয়ার ক্ষমতা তারা রাখে। তবে, চীনের ভূখণ্ডে এয়ার স্ট্রাইক করার কোনও পরিকল্পনা যে ভারতীয় বায়ুসেনার নেই তাও স্পষ্ট করে দেন ভারতীয় এয়ার চিফ মার্শাল। এরকম পরিস্থিতিতে রোববারের বৈঠক যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তা মনে করছেন দু’দেশেরই সমর বিশেষজ্ঞরা।।

Advertisement