ভূমধ্যসাগরে বিরোধ: তুরস্কের ঘাড়ে ভর করেছে যুক্তরাষ্ট্র

ব্রিট বাংলা ডেস্ক :: পূর্ব ভূমধ্যসাগরের বিতর্কিত এলাকায় তুরস্কের তেল-গ্যাস অনুসন্ধান নিয়ে ক্রমশই উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তুরস্ক-গ্রিস পাল্টাপাল্টি সামরিক মহড়া চালাচ্ছে এ অঞ্চলটিতে। বুধবার পূর্ব ভূমধ্যসাগরে গ্রিস, সাইপ্রাস ও ইতালির সঙ্গে সামরিক মহড়ায় দুই দিনের জন্য যোগ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিল ফ্রান্স। এমন উত্তেজনার মধ্যে তুরস্কের সঙ্গে বিতর্কিত অঞ্চলে নৌপ্রশিক্ষণ মহড়ায় যোগ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বুধবার পূর্বভূমধ্যসাগরে জোটের বাহিনীর সঙ্গে নৌবাহিনীর প্রশিক্ষণ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের এক টুইট বার্তায় জানানো হয়েছে, প্রশিক্ষণ মহগড়ায় তিনটি রণতরী অংশগ্রহণ করেছে।

চলতি সপ্তাহে তুরস্ক প্রথমে ভূমধ্যসাগরে অনুসন্ধান ও সামরিক মহড়ার ঘোষণার পরেই পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে গ্রিস সামুদ্রিক মহড়ার ঘোষণা দেয়।

এর আগের একদিন আগে গ্রিসের পক্ষে ফ্রান্স তিনটি রাফায়েল যুদ্ধবিমান, একটি রণতরী ও হেলিকপ্টার নিয়ে সামরিক মহড়ায় যুক্ত হবে বলে জানানো হয়। ফ্রান্সের বহরটি ২৬-২৮ আগস্ট পর্যন্ত অংশগ্রহণ করবে বলে জানানো হয়েছিল।

তুরস্কের সঙ্গে গ্রিসের জ্বালানি অনুসন্ধান নিয়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। তুর্কি সংবাদ মাধ্যম ইয়েনি শাফাক জানিয়েছে, তুরস্ক যে ছোট দ্বীপ ঘিরে জ্বালানি অনুসন্ধান করছে তা তুর্কি উপকূলীয় এলাকায়। এটি তুরস্কের সামুদ্রিক অঞ্চলের মধ্যে বলে দাবি করা হচ্ছে।

এর আগে এক বিবৃতিতে গ্রিস সরকারের মুখপাত্র স্টেলিওস পেটসাস বলেন, কূটনৈতিকভাবে ও অভিযানের পর্যায়ে, উভয়ভাবে প্রস্তুতিসহ গ্রিস শান্তভাবে সাড়া দিচ্ছে, আর নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রয়োজনীয় সবকিছু করতে পারবে এমন আত্মবিশ্বাসও গ্রিসের আছে।

অন্যদিকে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান বলেছেন, অরুচ রেইস ও এটির পাহারায় থাকা আমাদের নৌবাহিনীর জাহাজগুলোর তৎপরতা থেকে এক পা পেছনে ফেরার পদক্ষেপও নিবে না।

সম্প্রতি পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মিসর ও সাইপ্রাস বড় জ্বালানি খনির সন্ধান পেয়েছে। এরপরই তুরস্ক ওই এলাকায় প্রাকৃতিক সম্পদের খোঁজ পাওয়ার জন্য অতিমাত্রায় তৎপর হয়ে উঠে।

Advertisement