মঈন উদ্দিন আহমেদ জালাল ছিলেন সমাজ প্রগতির উজ্জ্বল বাতিঘর।

মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী সমাজ প্রগতির আন্দোলনের অগ্রপথিক অ্যাডভোকেট মঈন উদ্দিন আহমদ জালালের স্মরণসভায় বক্তারা বলেছেন মইনুদ্দিন আহমেদ জালাল ছিলেন গণতন্ত্র সমাজ প্রগতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোলার আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব।

সমাজ প্রগতির লড়াইয়ের প্রশ্নে তিনি ছিলেন অসম সাহসে বুক চিতিয়ে দাঁড়ানো এক তেজি সিংহপুরুষ। তিনি ছিলেন সমাজ প্রগতির এক উজ্জ্বল বাতিঘর।
গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় লন্ডনের নজরুল সেন্টারে অনুষ্ঠিত মইনুদ্দিন আহহমদ জালালের স্মরণে আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

এতে সভাপতিত্ব করেন মইনুদ্দিন জালাল শোকসভা কমিটির আহ্বায়ক মাহমুদ এ রউফ।

শোকসভার মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন শোকসভা আয়োজক কমিটির যুগ্ম আহবায়ক আ ক ম চুন্নু। শোক সভা পরিচালনা করেন শোকসভা আয়োজক কমিটির সদস্য সত্যব্রত দাস স্বপন। শোকসভার শুরুতে মইনুদ্দিন জালাল এর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় ।

শোকসভায় অসাম্প্রদায়িক প্রগতিশীল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ময়নুদ্দিন জালালের সংক্ষিপ্ত জীবনী উপস্থাপন করেন নাগরিক শোকসভা আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব ইফতেখারুল হক পপলু।


শোকসভায় বক্তারা আরো বলেন মইনুদ্দিন আহমদ জালাল একজন আইকনিক পরীক্ষিত নেতা ছিলেন।‌ তিনি ছিলেন নেতাদের নেতা। অসাধারণ বিনয়ী এবং পরোপকারী মানুষ হিসেবে তিনি ছিলেন সবার কাছে সমাদৃত।

মৌলবাদ সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী আন্দোলনে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে তিনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও মানব মুক্তির সংগ্রামে সম্পৃক্ত রেখেছিলেন নিজেকে।


গতকাল লন্ডনের নজরুল সেন্টারে অনুষ্ঠিত শোকসভায় মঈন উদ্দিন আহমেদ জালালের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা জানিয়ে লন্ডনের বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সাংস্কৃতিক ও শ্রেণী-পেশার মানুষ সমবেত হন। শোক সভায় বক্তব্য দেন সৈয়দ এনামুল ইসলাম, আবেদ আলী আবিদ, সৈয়দ আবুল মনসুর লিলু, হামিদ মোহাম্মদ, সৈয়দ রাকিব উদ্দিন, আব্দুল হালিম চৌধুরী, সৈয়দ এনামুল হক, ফেরদৌসি আক্তার লিপি, গোলাম আকবর মুক্তা,সাদেক হোসেন চৌধুরী, মোহাম্মদ শাহেদ আলী, আলী আহমেদ বেবুল,রেহানা বেগম, পুষ্পিতা গুপ্ত, দেলোয়ার হোসেন সুজন, মঈন উদ্দিন আহমদ জালালের আত্মীয় সালেহ মনির, অহিদুর রহমান খান ও ভাগনা শাহ মুহাম্মদ মহিউদ্দিন প্রমুখ।
শোকসভায় বক্তারা আরো বলেন ধর্মীয় উগ্রবাদীদের হুমকির মধ্যে ও মঈন উদ্দিন আহমদ জালাল লড়াই-সংগ্রামে থেমে যাননি বরং আরো দ্বিগুন উৎসাহ নিয়ে একটি প্রগতিশীল সমাজ গঠন গঠনে তার নিরন্তর উদ্যোগ ছিল। সিলেটের মানুষ তার এই সংগ্রামকে স্মরণ রাখবে সব সময়।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Advertisement