শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে শুরু হলো নটিংহীল কার্নিভাল : Notting Hill Carnival dove release honours Grenfell Tower victims

ব্রিটবাংলা রিপোর্ট : শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে রোববার লন্ডনে ৫১তম নটিংহীল কার্নিভালের উদ্বোধন করে গ্রেনফেল টাওয়ারের অগ্নিকান্ডে হতাহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের স্বরণ করা হয়। একই সঙ্গে হতাহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিবরতা পালন করা হয়। গত জুনে ওয়েস্ট লন্ডনের কেনসিংটন এবং চেলসি বারার গ্রেনফেল টাওয়ারের অগ্নিকান্ডে ৮০ জনের মৃত্যু হয়।
দু’দিনব্যাপি নটিংহিল কার্নিভালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে লন্ডন মেয়র সাদিক খান, কেনসিংটনের স্থানীয় এমপি এমা ড্যান্ট কোড, কেনসিংটন এন্ড চেলসি বারার লিডার কাউন্সিলর এলিজাবেথ ক্যাম্পেবেল এবং গ্রেনফেল টাওয়ারের অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা অংশ নেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন ধর্মীয় লিডারদের উপস্থিতিতে হয় বিশেষ প্রার্থনা।

অন্যদিকে উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে রংখেলাসহ বিভিন্নভাবে আনন্দে মেতে উঠেন সাধারণ মানুষ। কার্নিভালের উদ্বোধনী দিনে সবাই গ্রিন কালারের কাপড় পরে আসেন। অর্থাৎ গ্রিন ফর গ্রেনফেল। স্থানীয় এমপি ড্যান্ট কোড নিজেও গ্রিন কালারের স্কার্ফ পরেন। লন্ডন মেয়র সাদিক খান ডার্ক গ্রিন কালারের টি শার্ট পরে সেখানে গিয়েছিলেন। এ সময় মেয়র সাদিক খান জানান, গ্রেনফেল ট্রাজেডির পর অনুষ্ঠিত কার্নিভাল থেকে কেনসিংটন এবং চেলসির কমিউনিটির প্রতি দ্বিগুন সমর্থন থাকবে মেয়র অফিসের। একই সঙ্গে বিচার নিশ্চিতের পাশাপাশি গ্রেনফেল টাওয়ারের অগ্নিকান্ডের রহস্য উদঘাটন এবং আগামীতে এ ধরনের ঘটনা যাতে লন্ডনে আর কোথাও না ঘটে সে ব্যাপারে নিশ্চিয়তার ঘোষণা দেন তিনি। কার্নিভালের উদ্বোধনী র‌্যালিটি গ্রেনফেল টাওয়ারের নীচে আসার সঙ্গে সঙ্গে র‌্যালির মিউজিকের সুর নমনীয় হয়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ধীর গতিতে হেঁটে গ্রেনফেল টাওয়ার অতিক্রম করেন র‌্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা। বিকেল ৩টার দিকে কার্নিভালের পক্ষ থেকে ১ মিনিট নিরবতা পালন করে হতাহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। সোমবারও একই সময়ে নিরবতা পালন করা হবে। কার্নিভালে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষ স্থানীয় ফায়ার সার্বিস স্টেশনে গিয়েও ফায়ার ফাইটারদের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা জানিয়ে আসেন। জীবনবাজি রেখে ফায়ার ফাইটাররা গ্রেনফেল টাওয়ার থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষার চেষ্টা করেছেন। এছাড়া টাওয়ারের আশে পাশে পোস্টার লাগিয়ে কোনো ধরনের ফটো না তুলতে ফেস্টিভ্যালে অংশগ্রহণকারীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

Notting Hill Carnival dove release honours Grenfell Tower victims

Victims of the Grenfell Tower fire have been remembered at the start of the Notting Hill Carnival with the release of dozens of white doves.

The poignant gesture came at the official opening ceremony of the two-day world famous event, which takes place in the shadow of the charred remains of the high-rise block where at least 80 people died in June.

The birds were released from the hands of survivors and local residents, as well as the leader of Kensington and Chelsea council Elizabeth Campbell, Mayor of London Sadiq Khan and Kensington MP Emma Dent Coad.

A prayer was also held, along with a heartfelt performance of Bridge Over Troubled Water.

Those taking part in the carnival had responded to the call to go “green for Grenfell” by sporting the colour.

Ms Dent Coad, wearing a green scarf, said the carnival was “a day to set aside our burden of sadness”

Mr Khan, wearing a dark green top, told the crowd: “Over this carnival weekend, we pledge to redouble our efforts to support this community.

“We make sure we have in our thoughts and our prayers all of those affected by the awful Grenfell Tower tragedy.

“Part of that pledge is making sure we get justice, we find out exactly what happened, we make sure those responsible are held to account, and also so this never, ever, ever happens again.”

Where performers pass close to the tower, they have been encouraged to lower the volume of their music and walk respectfully in memory of those who perished in the tragedy.

At 3pm on Sunday, revellers bowed their heads to observe a minute’s silence.

Following Sunday’s tribute, there was spontaneous applause and cheering by festival-goers outside a fire station, to honour the crews who fought so hard to rescue people from the devastating blaze.

A minute’s silence is also planned for Monday at the same time.

Posters have also been put up at spots where the tower is visible, asking the public not to take photographs “at the site of our great loss”.

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Advertisement