সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে দুজন দোষী সাব্যস্ত : Couple guilty of homemade bomb terror attack plot

ব্রিটবাংলা ডেস্ক : নিজের ঘরে তৈরি বোমা দিতে ইউকেতে একটি সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে দুজনকে দোষি সাব্যস্ত করেছে লন্ডনের ওল্ড বেইলি কোর্ট। দোষিরা হলেন ৩৬ বছর বয়সী ফুড ফ্যাক্টরী ওয়ার্কার মুনির মোহাম্মদ। তিনি ডার্বির বাসিন্দা। মুনির ইরিত্রিয়ান অরিজিন হলেও সুদান থেকে বেশ কয়েক বছর আগে লন্ডনে এসে একটি ফুড কোম্পানীতে কাজ শুরু করেন।

অন্যদিকে নর্থ লন্ডনের বাসিন্দা ৩৩ বছর বয়সী রোয়াইদা আল হাসান। তিনি একটি ফার্মেসিতে কাজ করতেন।

আদালত জানিয়েছে, সিঙ্গেল মুসলিম হিসেবে অনলাইন ডেটিংয়ে একে অন্যের সঙ্গে তাদের পরিচয় ঘটে।

২০১৬ সালের ডিসেম্বরে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২০১৫ সালের নভেম্বর থেকে গ্রেফতার হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তারা দুজন মিলে নিজের ঘরে বোমা বানিয়ে সন্ত্রাসী হামলা একই সঙ্গে খাবারে বিষ মিশিয়ে মানুষ হত্যার পকিল্পনা করছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আগামী ২২শে ফেব্রুয়ারী তাদের সাজার মেয়াদ ঘোষণা করবে আদালত।

A man and woman have been found guilty of plotting a “devastating” terror attack in the UK using a homemade bomb.

Food factory worker Munir Mohammed, 36, from Derby, and pharmacist Rowaida El-Hassan, 33, from north-west London, also exchanged messages about ricin.

The Old Bailey heard asylum seeker Mohammed signed up for a “new job in the UK”, while messaging an IS commander via Facebook.

He used El-Hassan’s chemical knowledge after they met on a dating website.

Sue Hemming, from the Crown Prosecution Service, said the couple were “clearly attracted to each other through their support for Daesh’s [IS’s] violent ideology and its intolerance of those who do not subscribe to its views”.

“They planned to kill and injure innocent people in the UK and had the mind-set, the methodology and almost all the material needed for Mohammed to carry out an attack,” she said.

“Both will be in prison, where they cannot plot together and will no longer be a danger to the public.”

At the time of his arrest in December 2016, Mohammed had two of the three components needed for TATP explosives, as well as manuals on how to make explosives, mobile phone detonators as well as the deadly poison ricin.

The trial heard Mohammed, originally from Eritrea, who lived in Sudan for some time before coming to the UK, investigated making poison while working at a supermarket ready meals factory.

The court was also told that he was using a sophisticated false documents to access services and work in the UK illegally

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Advertisement