৬ মাসে ইংল্যান্ডে করোনায় মৃত্যুর শতকরা ০.৫ ভাগ পূর্ণ ডোজ টিকা নিয়েছিলেন

বছরের প্রথম ছয় মাসে ইংল্যান্ডে করোনা ভাইরাসে মারা গেছেন কমপক্ষে ৫১ হাজার ২৮১ জন। এর মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ডোজ টিকা নিয়েছেন এমন মানুষ মাত্র ২৫৬ জন। নতুন এক ডাটার উল্লেখ করে এ খবর দিয়েছে অনলাইন ইন্ডিপেন্ডেন্ট। অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিসটিক্স (ওএনএস) ডাটা বিশ্লেষণ করে দেখার চেষ্টা করেছে যে, করোনায় আক্রান্ত হওয়া ব্যক্তিরা নতুন করে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার প্রকৃত সংখ্যা কত। এমন সংক্রমণকে ইংরেজিতে বলা হয় ‘ব্রেকথ্রু ইনফেকশন’। কোন ব্যক্তি পুরোপুরি টিকা নেয়ার পর যদি নতুন করে একই অসুস্থতায় আক্রান্ত হন তাহলে তাকে ‘ব্রেকথ্রু ইনফেকশন’ বলে। এক্ষেত্রে টিকার কার্যকারিতাকে অতিক্রম করে নতুন করে আবার আক্রমণ করে। ওই ৬ মাস সময়ে টিকা না নেয়া মানুষ মারা গেছেন ৩৮ হাজার ৯৬৪ জন।

ওএনএস বলেছে, সব মিলে পুরোপুরি টিকা দেয়া হয়েছিল এমন ৬৪০ জন মানুষ মারা গেছেন। তবে এর মধ্যে এমন মানুষও আছেন, যারা টিকা নেয়ার আগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। সব মিলে দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেয়ার ১৪ দিন পরে করোনায় মারা গেছেন মাত্র ২৫৬ জন। এর মধ্যে মোট ১৯৩ জন আছেন, তাদেরকে করোনায় চরম মাত্রায় ক্লিনিক্যালি ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করা হয়েছিল। ওএনএসের স্থাস্থ্য ও জীবন বিষয়ক উপপরিচালক জুলি স্ট্যাববরো বলেছেন, আমাদের নতুন বিশ্লেষণ দেখায় যে, পূর্ণ ডোজ টিকা নেয়া সত্ত্বেও দুঃখজনকভাবে কিছু মানুষ মারা গেছেন করোনায়। আমরা আরও দেখেছি যারা টিকা নেননি অথবা মাত্র একটি ডোজ টিকা নিয়েছেন, তাদের তুলনায় পূর্ণ ডোজ টিকা নেয়া মানুষদের মধ্যে মুত্যৃহার অনেক কম। এ থেকে টিকার কার্যকারিতার উচ্চ মাত্রার প্রমাণ পাওয়া যায়। ভয়াবহ অসুস্থতা এবং মৃত্যু থেকে সুরক্ষা দেয় টিকা।

ওএনএস আরো বলেছে, ‘ব্রেকথ্রু ইনফেকশনে’ আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের শতকরা ৬১ ভাগই পুরুষ। ‘ব্রেকথ্রু ইনফেকশন’-এ আক্রান্ত হয়ে যারা মারা গেছেন তাদের গড় বয়স ৮৪ বছর। যেসব মানুষ হাসপাতালে চিকিৎসায় দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রদর্শন করেছেন তাদের মধ্যে ‘ব্রেকথ্রু ইনফেকশন’-এ আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার শতকরা হার ১৩ ভাগ।

Advertisement