ব্রিটিশ রাজপরিবারে পাবলিক ফান্ড থেকে প্রাপ্ত অর্থের ব্যয় বেড়েছে : Queen’s taxpayer-funded costs up 13% in 2017-18

ব্রিটবাংলা ডেস্ক : ব্রিটিশ রাজ পরিবারের ব্যয়ের বড় একটি অংশের উৎস হল জনগণের প্রদত্ত কর বা ট্যাক্স। কিন্তু গত ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ব্রিটিশ রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ করদাতা বা টেক্সপেয়ারদের কাছ থেকে প্রাপ্ত নির্ধারিত ফান্ডের চাইতে প্রায় ১৩ শতাংশ বেশি ব্যয় করেছেন। বাকিংহ্যাম পেলেসের সংষ্কার, স্টাফ এবং রাজকীয় ভ্রমণে এসব অর্থ ব্যয় করা হয়।

গত অর্থ বছরে  রাণীর অফিসিয়াল ব্যয় এবং ভ্রমনবাবদ পাবলিক ফান্ড থেকে ৪১ দশমিক ৯ মিলিয়ন পাউন্ড ব্যয় হওয়ার কথা থাকলেও বছর শেষে দেখা গেছে এই ব্যয়ের পরিমাণ হয়েছে ৪৭ দশমিক ৪ মিলিয়ন পাউন্ড।

এর মধ্যে প্রায় ৪ মিলিয়নের বেশি পাউন্ড ব্যয় হয়েছে বাকিংহ্যাম পেলেসের উন্নয়নমূলক কাজে। বেশির ভাগ ব্যয় হয় পুরনো বৈদ্যতিক ক্যাবল সরানোর পেছনে। এছাড়া প্রায় ২১ দশমিক ৪ মিলিয়ন পাউন্ড ব্যয় হয়েছে বেতন বাবদ।

রাজপরিবারের মালিকানাধীন স্টেইট অর্থাৎ বাড়িঘর থেকে যে অর্থ আয় হয় সেখানে থেকেই পাবলিক ফান্ডের অর্থ হিসেবে রাজপরিবারের ব্যয় মেটানো হয়। রাজপরিবারের মালিকানাধীন অর্থাৎ ক্রাউন স্টেইট থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে সমস্ত ব্যয় মেটানোর পর অতিরিক্ত যে অর্থ  থাকে সেখান থেকে রানীকে সৌভেরিন গ্রান্ট হিসেবে নির্ধারিত অংকের অর্থ দেওয়া হয়। দুই বছর আগে এই অর্থের পরিমাণ ছিল অতিরিক্ত আয়ের ১৫শতাংশ। কিন্তু চলতি অর্থ বছরে সেই অর্থের পরিমান বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে। বাকিংহ্যাম পেলেসের সংষ্কার ব্যয় মেটানোর জন্যেই তা বাড়ানো হয়।

গত অর্থ  বছরে সর্ব মোট সৌভেরিন গ্রান্ট ছিল প্রায় ৭৬ দশমিক ১ মিলিয়ন পাউন্ড। এরমধ্যে ২৮ দশমিক ৭ মিলিয়ন পাউন্ড মওজুদ করা হয়েছিল বাকিংহ্যাম পেলেসের সংস্কারের উদ্দেশ্যে। এছাড়া সৌভেরিন গ্রান্ট থেকে ভ্রমন ব্যয়বাবদ ৪ দশমিক ৫ মিলিয়ন ব্যয় করার কথা থাকলেও ব্যয় হয়েছে ৪ দশমিকম ৭ মিলিয়ন পাউন্ড। গত অর্থ বছরে রাজপরিবারের ব্যয় বহুল ভ্রমণ ছিল প্রিন্স চার্লসের ভারত এবং ফার ইস্ট ভ্রমণ। গত বছরের নভেম্বরের এই ভ্রমণে ব্যয় হয় প্রায় ৩শ ৬২ হাজার ১শ ৪৯ পাউন্ড। এছাড়াও রানীর পরিবর্তে  রাজ পরিবারের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে গত বছর দুবার রয়েল ট্রেইন ব্যবহার করেছেন প্রিন্স চার্লস। একেকটি ট্রিপে এতে ব্যয় হয় প্রায় ২০ হাজার পাউন্ড। দ্যা প্রিন্স অব ওয়েলস এবং ডাচেস অব কর্ণওয়েল গত অর্থ বছর ইউকেতে প্রায় ৬১৯টি রাজকীয় কাজে অংশ গ্রহণ করেন। অন্যদিকে রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ অংশ নেন ১৫৪ টি কাজে। এর আগের বছর তিনি ১৬২টি রাজকীয় দায়িত্ব পালন করেন।

এদিকে প্রিন্স অব ওয়েলসের প্রাইভেট অফিস থেকে ডিউক এন্ড ডাচেস অব ক্যামব্রিজ এবং ডিউক অব সাসেক্সের জন্যে ৪০ শতাংশ ফান্ডিং বাড়ানো হয়েছে। ৩ দশমিক ৫ মিলিয়ন থেকে বাড়িয়ে তা ৫ মিলিয়ন পাউন্ড করা হয়। তবে মেঘান মর্কেল বা ডাচেস অব সাসেক্সের জন্যে কতো পরিমাণ ফান্ড বাড়ানো হয়েছে সে ব্যাপারে প্রিন্স অব ওয়েলসের অফিস থেকে সঠিক তথ্য জানানো হয়নি।

তবে ক্রাউন স্টেইট থেকে গত অর্থ বছরে ইংল্যান্ডের ট্রেজারিতে ৩২৯ দশমিক ৪ মিলিয়ন পাউন্ড জমা পড়েছে। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৪ শতাংশ বেশি।

The Queen’s taxpayer-funded costs rose by 13% in the past year, partly due to the refurbishment of Buckingham Palace.

Accounts show the public funds used by the Queen for official expenditure and duties went up from £41.9m to £47.4m.

More than £4m was spent on the initial phase of improvements at the palace, including the removal of old wiring, while £21.4m went on payroll costs.

The Queen’s official expenditure is met from public funds in exchange for revenue from the Crown Estate.

The “core” sovereign grant is based on 15% of the net surplus of the Crown Estate, as it was two years previously.

But from this year, the total grant is based on 25% of the surplus – an increase intended to meet the costs of refurbishing Buckingham Palace.

Overall, the total Sovereign Grant was £76.1m – but £28.7m was transferred to reserves, most of which is intended to pay for the renovation.

The Sovereign Grant accounts also show an increase in travel costs, from £4.5m to £4.7m.

The most expensive trip was Prince Charles’s tour of India and the Far East in November 2017, which cost £362,149.

Over the year, the prince used the Royal Train – at a cost of about £20,000 a trip – twice as often as the Queen.

The Prince of Wales and Duchess of Cornwall carried out 619 UK engagements last year. The Queen undertook 154 official engagements, down from 162 the previous year.

Separately, figures from Clarence House – the Prince of Wales’ private office – show an increase in funding of 40% for the Duke and Duchess of Cambridge and Duke of Sussex.

The total went from £3.5m to £5m. A Palace spokesman declined to be drawn on how much of the rise was related to Meghan, the new Duchess of Sussex.

Separate figures show the Crown Estate provided £329.4m to the Treasury, a like-for-like increase of around 4% compared with last year’s figures for England only.

Advertisement