Grenfell Tower Fire : Three young siblings chose to STAY inside burning with elderly parents : বৃদ্ধ বাবা মাকে ছেড়ে যাননি ৩ ভাই বোন

ব্রিটবাংলা রিপোর্ট : ওয়েস্ট লন্ডনের গ্রেনফেল টাওয়ারে আগুন লাগার পর বৃদ্ধ বাবা মাকে ফেলে যেতে চাননি ৩ বাঙালী ভাই বোন। বাবা-মাকে সঙ্গে নিয়েই ৩ ভাই-বোন অনিশ্চিত জীবনের অপেক্ষায় থাকেন। শেষ পর্যন্ত অগ্নিদগ্ধ হয়েই মর্মান্তিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন। গত ১৩ জুন মধ্যরাতে ২৪ তলার গ্রেনফেল টাওয়ারের অগ্নিকান্ডের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৭৯ জন নিহত হয়েছেন বলে পুলিশ নিশ্চিত করে। এরমধ্যে মৌলভীবাজারের এক পরিবারের ৫ সদস্য রয়েছেন। মিডিয়ায় তাদেরকে বেগম পরিবার বলেই উল্লেখ করা হয়েছে। আগুন লাগার প্রায় ১ ঘন্টা পরেও চাইলে বৃদ্ধ বাবা-মাকে ফেলে জীবন রক্ষা করতে পারতেন ২২ বছর বয়সের হুসনা বেগম এবং তার দুই ভাই ২৬ বছরের হানিফ এবং ২৯ বছর বয়সের হামিদ। ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে আগুন লাগার পর প্রায় ১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত তারা জীবন রক্ষার জন্যে বের হয়ে আসতে পারতেন। রাত প্রায় ৩ টা ১০ মিনিট পর্যন্ত ১৭ তলার নিজের ঘর থেকে তারা স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেছেন। বর্ণনা করেছেন পুরো পরিস্থিতির। কান্নাজড়িত কন্ঠে বিদায় নিয়েছেন স্বজনদের কাছ থেকে। নিহতদের স্বজন ১৮ বছর বয়সের সামির আহমেদ দ্যা টাইমসকে এসব কথা বলেছেন। টাইমসের বরাত দিয়ে দৈনিক মিরর এক সংবাদে এসব তথ্য তুলে ধরেছে।
ওয়েস্ট লন্ডনের গ্রেনফেল টাওয়ারের আগুন লাগার সময় ঘরে ছিলেন ৮২ বছর বয়সী বাবা কামরু মিয়া, ৬০ বছর বয়সী মা রাবেয়া বেগম এবং তাদের তিন সন্তান। ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান তাদের আরেক সন্তান মোহাম্মদ হাকিম। হাকিম ঘরেই ছিলেন পরিবাররে সবার সঙ্গে। কিন্তু আগুন লাগার কিছু আগে তিনি ঘর থেকে বের হন। এরফলে ভাগ্যক্রমে তিনি বেঁচে যান। ৩ ভাইয়ের একমাত্র বোন হোসনা বেগমের বিয়ে টিক ছিল আগামী মাসে। লেস্টারের একটি পরিবারের তার বিয়ের কথাবার্ত পাঁকাপুক্ত ছিল। তাঁর হবু স্বামীর পরিবারের সদস্যরা সোমবার বিকেলে হোসনা এবং তাদের পরিবারের বাকী সবার রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ অনুষ্ঠান করেন।


Three young siblings chose to STAY inside burning with elderly parents rather than let them die alone

As smoke and flames engulfed the 17th floor, bride-to-be Husna Begum, 22, and her brothers, Hanif, 26, and Hamid, 29, explained their decision to stay to relatives on the phone.

Three young siblings chose to stay and die with their parents in the Grenfell Tower fire – rather than leave them to die alone on the 17th floor, it’s emerged.

As smoke and flames engulfed the building, bride-to-be Husna Begum, 22, and her brothers, Hanif, 26, and Hamid, 29, spoke to relatives on the phone and explained their decision to stay.

In an emotional conversation more than two hours after the blaze began, the children told them that there was no way they could leave their mother, Rabeya, who was in her 60s, and 82-year-old father, Kamru Miah.

The British-Bangladeshis also told their relatives not to grieve for them as they were ‘going to a better place’.

It’s been claimed they had an ‘opportunity’ of almost an hour after the fire began at around 12.50am to make their way to safety – until about 1.45pm – and were last heard of on the phone at 3.10am.

Their cousin, Samir Ahmad, 18, told The Times : “Their dad could barely walk anyway.

“What were they going to do? Abandon him?”

Mr Ahmad said he believed “until around 1.45am they could have left their parents, but they didn’t.”

Of their final conversation, he said: “My auntie spoke to Hanif. He was very calm.

“He said his time had come, and not to mourn for them, but be happy for them because they would be in a better place.

“Hats off to them. They didn’t show cowardice. They stayed with their mum and dad.

“Family was so important to them. They lived together and they died together.”


Mr Ahmad said he believed the children would have been haunted for the rest of their lives.

Ms Begum was due to get married in Leicester next month – and her distraught fiancé and extended family are expected to remember them in a public prayer ceremony at 6pm today.

One brother Mohammed Hakim, who had been at the home earlier in the evening but left before the blaze, is known to have survived. #Source#Mirror#