Horsemeat scandal : Two businessmen jailed : ঘোড়ার মাংস কেলেঙ্কারিতে দুই ব্যবসায়ীর জেল

ব্রিটবাংলা রিপোর্ট : ঘোড়ার মাংসকে গরুর মাংস বলে বাজারে  বিক্রি করার অভিযোগে ইউকে ও ইউরোপের দুই ব্যবসায়ীকে জেলদন্ড দিয়েছে লন্ডনের একটি আদালত। ইউকে ও ইউরোপের বাজারে প্রায় ২শ হাজার পাউন্ডের ৩০ টন ঘোড়ার মাংসকে গরুর মাংস হিসাবে বিক্রি করেন। এদের একজনের নাম এন্ড্রোনিকস সিডরাস। মাংস প্রস্তুতকারী কোম্পানি ডিনস অ্যান্ড সন্সের সত্ত্বাধিকারী তিনি। বিভিন্ন ফার্মে মাংস বিক্রি হবার আগেই এর মধ্যে অসৎ উদ্দেশ্যে ঘোড়ার মাংস মিশিয়ে দিতেন ৫৫ বছর বয়সের এই ব্যবসায়ী। এতে করে ফুড প্রসেসর ও ভোক্তা উভয় পক্ষই প্রতারিত হতেন। অন্যদিকে ফ্লেক্সিফুডসের ড্যানিশ মালিক উলরিক নিলসেন (৫৮) ইউরোপ জুড়ে বিভিন্ন সাপ্লায়ারের কাছ থেকে ঘোড়া ও গরুর মাংস ক্রয় করে নর্থ লন্ডনের টোটেনহ্যামে ডিনসে সরবরাহ করতেন। নিলসেনের “ডান হাত”, অ্যালেক্স বিচ (৪৪), শিপমেন্ট ট্রান্সফার এবং অ্যাকাউন্টিং পরিচালনার করতেন।

জালিয়াতির মূল্যমান ১ শ’ ৭৭ হাজার ৮ শ’ ৬৯ পাউন্ড বলা হলেও আসলে মিলিয়ন মিলিয়ন পাউন্ডের জালিয়াতি হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত জালিয়াতি ষড়যন্ত্রের একটি অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ইনার লন্ডন ক্রাউন কোর্ট সিডরাসকে চার বছর ছয় মাস কারাদণ্ড দিয়েছে। এদিকে এরইমধ্যে একই অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় নিলসেনের তিন বছর ছয় মাসের জেল হয়েছে এবং বিচকে ১৮ মাসের জন্য সাসপেন্ড করেছে আদালত। পাঁচ বছর আগে প্রতিদিনের সংবাদ শিরোনাম হয়েছিল এই ঘোড়ার মাংস কেলেঙ্কারি, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে সাধারণ জনগণের উপর।

Horsemeat scandal : Two businessmen jailed

Two men have been jailed for their part in a conspiracy to sell 30 tonnes of horsemeat as beef.

Andronicos Sideras, 55, one of the owners of meat manufacturer Dinos & Sons, mixed the products together before the mixture was sold to other firms in a plot that deceived consumers and food processors.

Ulrik Nielsen, 58, the Danish owner of FlexiFoods, bought horsemeat and beef from suppliers across Europe and had it delivered to Dinos in Tottenham, north London.

Nielsen’s “right-hand man”, Alex Beech, 44, arranged for the shipments to be transferred and handled the accounting.

The majority of the meat, including some from farm horses not sold for slaughter, made it into the food chain and, while the face value of the fraud was £177,869, police said the true cost had probably run into millions of pounds.

Sideras, of Southgate, north London, was found guilty of one count of conspiracy to defraud between January 1 and November 30 2012 and was jailed at Inner London Crown Court for four years and six months.

Nielsen and Beech, who had already pleaded guilty to the same charge, were sentenced to three years and six months in jail and 18 months suspended for 12 months respectively.

Judge Owen Davies QC said: “It was not confined to this country, not confined to the firms we have heard about, and it’s a big issue for the public to be concerned about, but the fact is it was discovered by accident and only emerged as a problem because of your activity.

“It’s not a mitigating factor, in my judgment, that other people were at it as well as you.”

In 2013 UK supermarkets were rocked by the horsemeat contamination crisis, with products labelled as beef and other meats found to contain various amounts of horse flesh.

Speaking to the defendants, who had their heads bowed throughout, Judge Davies said: “It’s difficult to recall now the conditions that made this horsemeat scandal headline news every day five years ago but it made an impact on the public in general.

“They were suspicious of the food that they had – it extended far beyond meat.”

The trio’s plot was discovered in September 2012 when Newry and Mourne District Council health inspectors made an unannounced visit to a Freeza Meat store in Newry, Northern Ireland, and found a third of the pallets contained horsemeat.

Police would later sift through 12 tonnes of meat by hand and horse ID chips, roughly the size of a grain of rice, were found. They belonged to two horses named Trak and Wiktor from the Lodz region of Poland, and a third Irish Hunter horse called Carnesella Lady, from rural county Galway.#Sourece#ES#

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Advertisement