Knife checks : every London school will be offerd metal dectetor : লন্ডনের সেকেন্ডারী স্কুলগুলোতে মেটাল ডিটেক্টর বসানো হবে

ব্রিটবা;লা রিপোর্ট : নাইফক্রাইম প্রতিরোধে লন্ডনের সেকেন্ডারী স্কুলগুলোতে বিশেষ ম্যাটাল ডিটেক্টরের পাশাপাশি পুলিশী সহযোগিতা দেবার ঘোষণা দিয়েছেন লন্ডন মেয়র সাদিক খান। লন্ডনের প্রায় ৪শ ৮৪টি সেকেন্ডারী স্কুলে হাতে বহনকারী এক ধরনের মেটাল ডিটেক্টর দেওয়া হবে। এছাড়াও স্কুলের ভেতরে কোনো শিক্ষার্থী ছুরি বহন করছে বলে সন্দেহ হলে সেই স্কুলের জন্যে একজন পুলিশ অফিসারও সরবরাহ করা হবে বলে জানিয়েছে মেয়র অফিসের পুলিশিং এন্ড ক্রাইম বিভাগ। এ জন্যে অতিরিক্ত প্রায় ৬শ ২৫ হাজার পাউন্ড অর্থ বরাদ্দের ঘোষণা দেন মেয়র সাদিক খান।
মেটাল ডিটেক্টের ডিভাইসটি স্কুলের ব্যস্ত সময়ে যেসব জায়গায় শিক্ষার্থীদের ভীড় থাকে বেশি সেসব জায়গায় বসানো হবে। অথবা ছুরি দিয়ে হামলা বা মারামারির সন্দেহ হলে প্রধান শিক্ষকের ইচ্ছে অনুযায়ী একজন পুলিশ অফিসার সরাবরহ করা হবে। নাইফ ক্রাইমের জন্যে ঝুঁকিপূর্ণ বারা ল্যামবেথ, সাউথার্ক, হ্যারিঙ্গে এবং নিউহ্যামের স্কুলগুলোতে এই ধরনের ব্যবস্থার জন্যে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

মেয়র সাদিক খান মঙ্গলবার এই ঘোষণা দেন। নাইফ ক্রাইম প্রতিরোধের জন্য অতিরিক্ত ৮০ জন বিশেষ পুলিশ অফিসার নামানো হবে। এছাড়া নাইফ ক্রাইমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা দিতে আরো ২ মিলিয়ন পাউন্ড বরাদ্দের ঘোষনা দেন মেয়র। ব্রিক্সটনে নাইফ ক্রাইম বিরোধি একটি ক্যামেপেইন গ্রুপের অনুষ্ঠানে মেয়রের সঙ্গে মেট পুলিশ কমিশনারও উপস্থিত ছিলেন।

Three stabbed to death in London in 24 hours : লন্ডনে ২৪ ঘন্টার ভেতরে ছুরিকাঘাতে আবারো ৩ জন খুন

Two knifed to death in London in 24 hours : লন্ডনে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ছুরিকাঘাতে দুজন নিহত
গত এপ্রিল থেকে এর আগের ১২ মাসে লন্ডনে নাইফ ক্রাইম প্রায় ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর চলতি বছর এ পর্যন্ত ২৪ জনের প্রাণহানী হয়েছে ছুরিকাঘাতের ফলে। নিহতদের সবার বয়স ২৫ বছরের নীচে। আশঙ্কাজনকহারে নাইফ ক্রাইম বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার লন্ডন মেয়র সাদিক খান স্কুলগুলোতে নাইফ ক্রাইম প্রতিরোধে এই বিশেষ উদ্যোগের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে ইয়ূথ সার্ভিস কাট থেকে বিরত থাকতেও সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র সাদিক খান। ২০১১ সাল এই পর্যন্ত প্রায় ২২ মিলিয়ন পাউন্ড কাট হয়েছে ইয়ূথ গ্রুপ থেকে। আর বন্ধ করা হয়েছে প্রায় ৩০টির বেশি ইয়ুথ সেন্টার।


Knife checks : every London school will be offerd metal dectetor

Every school in London will be offered a “knife wand” metal detector to tackle soaring numbers of stabbings.

The Mayor’s Office for Policing and Crime will supply the handheld devices to headteachers at the capital’s 484 state secondaries. Schools could also be provided with dedicated police officers if there are particular concerns about pupils carrying knives on the premises. About a third of London secondaries have dedicated officers on site but only a dozen use knife wands. Just a handful use knife arches.

The wands could be deployed at school events, at busy times of day such as the end of lessons, or discreetly if individual pupils are causing alarm. Headteachers will be asked to work with the police if they have concerns over the risk of stabbings. The biggest take-up is anticipated in boroughs with the worst knife crime problems, including Lambeth, Southwark, Haringey and Newham.

There was a 24 per cent increase in the number of stabbings in the 12 months to April. Sadiq Khan, who announced today’s move as part of a new knife crime strategy, is particularly worried about rising youth violence. Twenty-four people under 25 have been fatally stabbed in the capital this year.


At the Dwaynamics Boxing Club in Brixton, launched and supported by several grants from the Standard’s Dispossessed Fund as part of our The Estate  We’re In campaign, Mr Khan also called on the Government to reverse youth service cuts. He said £22 million had been cut from youth groups in London since 2011 and 30 youth centres closed.

The strategy will allocate £250,000 seed funding to communities to help spread the message that carrying a knife is more likely to ruin your life than save it. It will also support an expansion of the work of the Redthread charity, whose specialist staff get involved with victims of knife crime in A&E units. Met chief Cressida Dick said: “We absolutely cannot deal with this problem through enforcement alone. We need to change attitudes and behaviours and for that to happen we need partners and communities to join the fray.#Source#ES#