গৌরবের সঙ্গে ১৫ বছরে পদার্পণ করল সাপ্তাহিক বাংলা পোস্ট


ব্রিটবাংলা রিপোর্ট : কমিউনিটি ও সমাজের প্রয়োজনেই বাংলা পোস্ট এগিয়ে যাবে। গত বুধবার সন্ধ্যায় সাপ্তাহিক বাংলা পোস্টের ১৫ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তারা এই মন্তব্য করেন। তারা বলেন, দীর্ঘ ১৪ বছর এক নাগাড়ে ঠিকে থাকা একটি কমিউনিটি সংবাদ পত্রের জন্য সত্যিই গর্বের এবং আনন্দের।

বাংলা পোস্টের অনারারি চেয়ারম্যান শেখ মোঃ মফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলা পোস্টের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান সম্পাদক তাজ চৌধুরী, চ্যানেল এস এর প্রতিষ্ঠাতা মাহী ফেরদৌস জলিল, বাংলা পোস্টের সাবেক প্রধান সম্পাদক কে এম আবু তাহের চৌধুরী, লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সাপ্তাহিক পত্রিকার প্রধান সম্পাদক বেলাল আহমেদ, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদক এমদাদুল হক চৌধুরী, সাপ্তাহিক সুরমার সম্পাদক আহমদ ময়েজ, সুরমার বার্তা সম্পাদক কবি আব্দুল কাইয়ূম, বাংলা পোস্টের সাবেক সাহিত্য সম্পাদক কবি শিহাবুজ্জামান কামাল, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবু সুফিয়ান, সাংবাদিক আব্দুল হাই সনঞ্জু, বাংলা পোস্টের হেড অব প্রডাকশন সালেহ আহমদ, সাব এডিটর জয়নাল আবেদীন ও সাংবাদিক রাশেদ আদনান। বাংলা পোস্টের সম্পাদক ব্যারিষ্টার তারেক চৌধুরীর পরিচালনায় বক্তারা বলেন, যে কমিউনিটিকে সেবা করার যে অঙ্গীকার করেছিল বাংলা পোস্ট তা অটুট রেখেছে। সম্পাদক তারেক চৌধুরী বলেন, বাংলা পোস্টের মুল ধারার নিউজ এজেন্টে প্রথম বাংলাদেশী সংবাদপত্র হিসেবে যে ইতিহাসে অম্লান হয়ে থাকবে। কে এম আবু তাহের চৌধুরী বলেন, বাংলা পোস্টের এই অগ্রযাত্রায় অংশীদার হতে পেরে আত্মতৃপ্তি বোধ করছি।


তাজ চৌধুরী বলেন, বাংলা পোস্টের সৃষ্টি ও অগ্রযাত্রা আমার আমৃত্য অস্তিত্বের অংশ হয়ে ঠিকে থাকবে। মাহী জলিল বলেন, ইলেকট্রনিক এবং প্রিন্টমিডিয়া একে অপরের অংশীদার। যারযার অবস্থান থেকে কমিউনিটিকে এগিয়ে নিতে সকলের চেষ্টা অব্যাহত রাখা উচিত।
সভাপতির বক্তব্যে শেখ মফিজুর রহমান বলেন, বাংলা পোস্টের মাধ্যমে কমিউনিটির সেবার যে অঙ্গীকার আমরা করেছি সকলের আন্তরিক সহযোগিতায় তা অব্যাহত থাকবে। তিনি বাংলা পোস্টের এই পথচলায় যারা সহযোগিতা করেছেন, তাদের প্রতি বাংলা পোস্টের পরিবার কৃতজ্ঞ।
বাংলা পোস্ট অফিসে কেক কেটে বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠান শুরু হয়। বাংলা পোস্টের সমৃদ্ধি ও উন্নতি কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন কে এম আবু তাহের চৌধুরী। এক প্রীতিভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

Advertisement