চিকিৎসাসামগ্রী বন্ধ করলে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা: ট্রুডো

ব্রিট বাংলা ডেস্ক :: ‍মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিবেশী দেশ কানাডায় মাস্ক ও কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণের যন্ত্র রফতানি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন।

ট্রাম্পের ওই নির্দেশের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।খবর পলিটিকোর।

তিনি বলেন, জরুরি চিকিৎসাসামগ্রী বন্ধ করলে কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের এ অমানবিক আচরণের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নিতে পারে।

ট্রুডো বলেন, করোনা মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্রের লোকজন যখন অটোয়ার চিকিৎসা সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল, তখন কানাডার জনগণের জন্য মাস্ক ও পিপিই পাঠাতে বাধা দেয়া ওয়াশিংটনের উচিত হয়নি।

ট্রুডো বলেন, অটোয়া প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নিলে ওয়াশিংটন মারাত্মক ক্ষতির শিকার হবে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি মাস্ক ও চিকিৎসাসামগ্রী নির্মাণকারী মার্কিন প্রতিষ্ঠান থ্রিএমকে কানাডা ও লাতিন আমেরিকার দেশগুলোতে এসব সামগ্রী রফতানি করতে নিষেধ করে দিয়েছেন।

থ্রিএম কোম্পানির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এক বিবৃতিতে বলা হয়, এ ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হলে বিশ্বের অন্য দেশও পাল্টা পদক্ষেপ নিতে পারে।

ট্রাম্প এমন সময় এ নির্দেশ দিলেন, যখন সারাবিশ্বের হাসপাতালগুলো করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে এবং হাসপাতালগুলো মারাত্মকভাবে মাস্ক, পিপিই (ব্যক্তিগত সুরক্ষা পোশাক) ও অন্য চিকিৎসাসামগ্রীর অভাবে ভুগছে।

এদিকে ফ্রান্সের কাছে চীনের বিক্রি করা মাস্ক হাতিয়ে নেয়ার যে পদক্ষেপ ওয়াশিংটন নিয়েছে, তার বিরুদ্ধেও প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে প্যারিস।

জার্মান কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছেন, দেশটি থেকে মাস্ক ও অন্য চিকিৎসাসামগ্রী ‘চুরি’ করে নিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মোট তিন লাখ ১১ হাজার মানুষ এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন সাড়ে আট হাজার রোগী।

এদের মধ্যে শুধু শনিবারই মারা গেছেন এক হাজার ৩৩১ জন। আমেরিকার হাসপাতালগুলোকে রোগীর ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

Advertisement