টাওয়ার হ্যামলেটে হাউজিং নির্মানে ১৩ মিলিয়ন পাউন্ড সহায়তা

নিজস্ব প্রতিবেদক : কাউন্সিল ঘর নির্মানে ১৩ মিলিয়ন পাউন্ড পাচ্ছে টাওয়ার হ্যামলেট। এলাকাটির অধিবাসীদের জন্য এই ঘর নির্মানের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির মেয়র সাদিক খান। একই সাথে তিনি ২৬ বারায় বাড়ি নির্মানে আরও ১ বিলিয়ন অর্থ প্রদান করার ঘোষনা দেন।
সাদিক খান বলেন, লন্ডনের আবাসন সমস্যা অনেক বেশি। যার সমাধান কয়েক দশক ধরে করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই কাউন্সিলের মাধ্যমে তৈরি করা নতুন এই প্রকল্প আবাসন সমস্যা কাটাতে কিছুটা হলেও সক্ষম হবে বলে তিনি মনে করেন। একই সাথে ১৩ মিলিয়ন পাউন্ডের মাধ্যমে টাওয়ার হ্যামলেটে ৬৭৫ টি বাড়ি নির্মানের অনুমতি পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি।
মেয়র মনে করেন, লন্ডনে আরও বেশি কাউন্সিল হোম তৈরি করা প্রয়োজন। একই সাথে এই বাড়ির যাবতিয় বিষয়ে অর্থাত অর্থ লেনদেনের বিষয়ে স্থানীয় কতৃপক্ষকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সিটি এন্ড ইস্টেল লন্ডন অ্যাসেম্বিলির সদস্য উমেশ দেশাই। উমেশ দেসাই আবাসন সমস্যা নিয়ে আগের সরকারকে ‘তাদের হাতে বসানোর’ বিষয়ে মন্তব্য করেছিলেন।
সাদিক খান বলেন, লন্ডনের স্থানীয় বাসিন্দারা আবাসন সমস্যায় ভুগছেন সব সময়। আর তাই খুব জরুরী মুহূর্তে তারা সাময়িক বাসস্থান ব্যবস্থার উপর নির্ভর করে থাকে।
তিনি বলেন, ১৯৯০ সালে কাউন্সিলের ফ্লাট নির্মানের মাধ্যমে আবসান সমস্যা দূর করার এই উদ্যোগের সূচনা হয়। বর্তমান সরকারও এই উদ্যোগের সাথে একই সাথে কাজ করে যাচ্ছেন।
নতুন এই বিল্ডি প্রোগ্রামের মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্মের অবাসন সমস্যা দূর করা ও সামাজিক সমস্যা দূর করতে এই ধরনের উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। আর এই উদ্যোগ কমিউনিটির প্রয়োজনের একটি গুরুত্বপূর্ন অংশ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
কাউন্সিলের নিজস্ব হাউজিং প্রোগ্রামের মাধ্যমে প্রায় হাজার বাড়ি নির্মান করা হয়েছে। তবুও টাওয়ার হ্যামলেট হাউজিংএ অপেক্ষারত অবস্থায় আছে প্রায় ১৯ হাজার পরিবার। যার মধ্যে ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত প্রায় ৫ হাজার ৫০০ পরিবারকে সাশ্রয়ী মূল্যে বাড়ি নির্মানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন হাউজিং কাউন্সিলররা।
এ বিষয়ে টাওয়ার হ্যামলেটের মেয়র জন বিগস বলেন, কাউন্সিল সাশ্রয়ী মূল্যে বাসস্থান সমস্যা দূর করার জন্য এরই মধ্যে ২ হাজার কাউন্সিল বাড়ি নির্মানের প্রতিশ্রুতি বদ্ধ।
মেয়র জানান, ২০০১ সাল থেকে দেশটিতে টাওয়ার হ্যামলেটে সব থেকে বেশি জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায়। বর্তমানে টাওয়ার হ্যামলেটে ৩ লাখ ১৭ হাজার ২০০ মানুষের বসবাস। যা ২০২৬ সালে বৃদ্ধি পেয়ে ৩ লাখ ৬৫ হাজারের বেশি হতে পারে।
তিনি বলেন, নতুন এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমাদের আবাসন সমস্যা অনেকটা দূর হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Advertisement